নিকোলা মাদুরো শ্রমিক রাজনীতি থেকে ক্রমে জড়িয়ে পড়েন জাতীয় রাজনীতিতে। মাদুরো ২০১৩ সালের এপ্রিলে খুবই কম ভোটের ব্যবধানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, পরে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন বিতর্কিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ২০১৮ সালের ২০ মে সেই নির্বাচনে তিনি প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বলে দাবি করা হয়। ক্ষমতা নেওয়ার পরই তাঁর বিরুদ্ধে গণতন্ত্র নস্যাৎ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ আসে।
নিকোলা মাদুরো বিরোধী মত সহ্য করেন না এবং তার কারণে সমাজে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে মাদুরোর শাসনে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিতে চরম মন্দা দেখা দেয়। মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্যসংকট—সবকিছু মিলিয়ে দেশটির সাধারণ মানুষ চরম সংকটে পড়েছে।
ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছে যে দেশটির হাজার হাজার নাগরিক পাশের দেশগুলোতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে এত মানুষের নিজের দেশ ছেড়ে যাওয়ার ঘটনা এর আগে কখনো ঘটেনি। মাদুরো ২০১৭ সালের আগস্টে একটি জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদ গঠন করে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এ নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক হয়।
মাদুরো একটা পর্যায়ে সবার ঐক্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেটা তাঁর শক্তি বাড়ানোর কৌশল ছিল বলে তাঁর বিরোধীরা মনে করেন।
Sangbad365 Admin 










