নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে মিজানুর রহমান বলেন, ‘মনোনয়ন বাতিলের পর অনেকেই ভেবেছিলেন আমি নির্বাচনে দাঁড়াতেই পারব না। ৮৫ বছর বয়সী আমার মা রেজিয়া বেগম শুরুতে ভয় পেয়েছিলেন, তবে এখন এমনভাবে কথা বলেন যে আমি নির্বাচিত হয়েই গেছি। বলেন, ওই রাস্তাটা ভালোভাবে যাতে হয়, তা দেখবি। আর আমার স্ত্রী ও যমজ দুই মেয়েসহ তিন মেয়ে আমার পাশেই আছে সব সময়।’
গুড় আর আমের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান জুরাইনে মায়ের বাড়িতে থাকেন। বাড়ির পাশেই তাঁর দোকান রয়েছে। এ থেকে আয়ের পাশাপাশি স্ত্রীর পৈতৃক বাড়ির ভাড়া দিয়ে সংসার চলছে বলে জানালেন। চার ভাই তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট মিজানুর রহমান। জানালেন, তাঁর ভাইবোনেরা সবাই প্রতিষ্ঠিত, আর্থিকভাবে তাঁর অবস্থাটাই একটু খারাপ।
৫১ বছর বয়সী মিজানুরের ৩০ বছরই রাস্তায় নানা আন্দোলনে কেটেছে। বললেন, এ জীবনে খুব বেশি অর্জন না থাকলেও ছোট ছোট কিছু অর্জন আছে। ধুলায় অস্থির হয়ে একবার মানববন্ধন করেছিলেন। তাতে খুব বেশি হলে ৩০ জন মানুষ অংশ নেন। তারপর কর্তৃপক্ষ ধুলাদূষণ থেকে মানুষকে রক্ষায় পানি ছিটানো শুরু করেছিল।
একসময় ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ) সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও পরে নিজেই রাজনীতিকে বিদায় জানিয়েছিলেন মিজানুর রহমান। তিনি বললেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে নানা আন্দোলনে যুক্ত আছি। কখনো পিছিয়ে যাইনি। নির্বাচিত হলে সিস্টেমের পরিবর্তনে কাজ করব। না জিতলেও আমি মানুষের পাশেই থাকব।’
Sangbad365 Admin 










