০৮:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহান তাবেয়ি সাইদ ইবনে জুবাইর

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬০০১ Time View

তিনি সরাসরি উম্মাহর পণ্ডিত হিসেবে পরিচিত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর তত্ত্বাবধানে দীর্ঘকাল অতিবাহিত করেন। তাঁর কাছে কোরআন, তাফসির ও ফিকহ শাস্ত্রের নিগূঢ় রহস্য উদঘাটন করেন।

এমনকি ছাত্র থাকাবস্থায়ই তাঁর পাণ্ডিত্য দেখে ইবনে আব্বাস (রা.) তাকে নিজের উপস্থিতিতেই ফতোয়া ও হাদিস বর্ণনা করার অনুমতি দিতেন। বলতেন, “সাইদের জন্য এটা আল্লাহর অনেক বড় নেয়ামত , সে আমার সামনে কথা বলছে; যদি সে ভুল করে তবে আমি তা সংশোধন করে দেব।” (আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি, হিলয়াতুল আউলিয়া, ৪/২৭২, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত, ১৯৮৮)

এ ছাড়া আয়েশা (রা.), আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) এবং ইমাম জয়নুল আবেদিনের মতো মহান ব্যক্তিত্বদের সান্নিধ্য লাভ করেছেন তিনি। সমকালীন আলেমদের মতে, সাইদ বিন জুবাইর ছিলেন তাঁর যুগের সকল জ্ঞানের এক অনন্য সমন্বয়কারী।

খাসিফ ইবনে আব্দুর রহমান বলতেন, “সে যুগে মুজাহিদ ছিলেন তাফসিরের সেরা আলেম, আতা ইবনে আবি রাবাহ ছিলেন হজের মাসআলায় সেরা, সাইদ ইবনে মুসাইয়াব তালাকের মাসআলায় সেরা; কিন্তু সাইদ ইবনে জুবাইর ছিলেন এই সবগুলোতে শ্রেষ্ঠ।” (শামসুদ্দিন আদ-ধাহাবি, সিয়ারু আ’লামিন নুবালা, ৪/৩২৪, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ, বৈরুত, ১৯৮৫)

ট্যাগঃ

মহান তাবেয়ি সাইদ ইবনে জুবাইর

সময়ঃ ১২:০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তিনি সরাসরি উম্মাহর পণ্ডিত হিসেবে পরিচিত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর তত্ত্বাবধানে দীর্ঘকাল অতিবাহিত করেন। তাঁর কাছে কোরআন, তাফসির ও ফিকহ শাস্ত্রের নিগূঢ় রহস্য উদঘাটন করেন।

এমনকি ছাত্র থাকাবস্থায়ই তাঁর পাণ্ডিত্য দেখে ইবনে আব্বাস (রা.) তাকে নিজের উপস্থিতিতেই ফতোয়া ও হাদিস বর্ণনা করার অনুমতি দিতেন। বলতেন, “সাইদের জন্য এটা আল্লাহর অনেক বড় নেয়ামত , সে আমার সামনে কথা বলছে; যদি সে ভুল করে তবে আমি তা সংশোধন করে দেব।” (আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি, হিলয়াতুল আউলিয়া, ৪/২৭২, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত, ১৯৮৮)

এ ছাড়া আয়েশা (রা.), আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) এবং ইমাম জয়নুল আবেদিনের মতো মহান ব্যক্তিত্বদের সান্নিধ্য লাভ করেছেন তিনি। সমকালীন আলেমদের মতে, সাইদ বিন জুবাইর ছিলেন তাঁর যুগের সকল জ্ঞানের এক অনন্য সমন্বয়কারী।

খাসিফ ইবনে আব্দুর রহমান বলতেন, “সে যুগে মুজাহিদ ছিলেন তাফসিরের সেরা আলেম, আতা ইবনে আবি রাবাহ ছিলেন হজের মাসআলায় সেরা, সাইদ ইবনে মুসাইয়াব তালাকের মাসআলায় সেরা; কিন্তু সাইদ ইবনে জুবাইর ছিলেন এই সবগুলোতে শ্রেষ্ঠ।” (শামসুদ্দিন আদ-ধাহাবি, সিয়ারু আ’লামিন নুবালা, ৪/৩২৪, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ, বৈরুত, ১৯৮৫)