এর আগে ইসরায়েলের সব যুদ্ধেই আমরা এসব প্রশ্ন উঠতে দেখেছি। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন টেলিভিশনে প্যানেল আলোচকদের তো রীতিমতো মুখিয়ে থাকতে দেখা গেল এমন মুহূর্তের জন্য, যেন তাঁরা সবাই ত্রাণকর্তা মসিহর অপেক্ষায় আছেন। আর কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তটা এল শনিবার [যেদিন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাল]।
ইসরায়েলের ইতিহাসে বিভিন্ন যুদ্ধের মধ্যবর্তীকালীন কয়েক বছর শান্ত সময় কাটতে দেখা গেছে। ১৯৪৮ সালের পর ১৯৫৬ সালে সিনাই অভিযানের মাঝে আট বছর, সিনাই অভিযান থেকে ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের মাঝে ১১ বছর, এর পর থেকে ইয়ম কিপ্পুর যুদ্ধের মাঝে ছয় বছর। এরপর ১৯৮২ সালে প্রথম লেবানন যুদ্ধের আগপর্যন্ত ৯ বছর এবং তার পর থেকে দ্বিতীয় লেবানন যুদ্ধের মাঝে ২৪ বছর।
কিন্তু এখন আমরা এক যুদ্ধ থেকে আরেক যুদ্ধের মধ্যে বিরতি পাচ্ছি মাত্র কয়েক মাস। আর প্রতিটি যুদ্ধের পর আকাশচুম্বী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, যুদ্ধবাজ ও যুদ্ধসমর্থকেরা খুশিতে বগল বাজায়। প্রায় প্রত্যেক ইসরায়েলিই তো এই কাতারে পড়ে।
প্রথম লেবানন যুদ্ধ শেষে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনশাম বেগিন বড়াই করে বলেছিলেন, ‘আমাদের ওপর আর কোনো বোমা পড়বে না, পড়বে না কোনো কাতিউশা রকেট।’ আর দ্বিতীয় লেবানন যুদ্ধের পর প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্টের দাবি ছিল, ‘রক্ত বৃথা যায়নি।’
Sangbad365 Admin 











