আল্লাহ তাআলা বলেন, “আর যে ক্ষমা করল এবং আপস-মীমাংসা করল, তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে” (সুরা শুরা, আয়াত: ৪০)। মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো তারা ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে। (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৩৪)
বর্তমানে ফেসবুক বা ইউটিউবে অন্যের দোষ খুঁজে বের করাকে বীরত্ব মনে করা হয়, অথচ এটি মূলত ইমানের দুর্বলতার লক্ষণ। অন্যকে কষ্ট না দেওয়াও যে একটি বড় ‘সাদাকাহ’ হতে পারে, তা আমরা হজরত আবু যার (রা.)-এর হাদিস থেকে জানতে পারি।
তিনি যখন নবীজিকে জিজ্ঞেস করলেন, যদি আমি কোনো দান-খয়রাত করতে না পারি তবে কী করব? নবীজি (সা.) উত্তর দিলেন, “মানুষের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকো, এটিও তোমার নিজের জন্য একটি সদকা (দান) হিসেবে গণ্য হবে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৫১৮; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৪)
মনে রাখতে হবে, আমরা মানুষের সঙ্গে যেমন আচরণ করব, আল্লাহ তাআলাও আমাদের সঙ্গে তেমন আচরণ করবেন। আমরা যদি মানুষের ভুলগুলো ক্ষমা করি ও তাদের ইজ্জত রক্ষা করি, তবে কেয়ামতের দিন আল্লাহ আমাদের অপরাধসমূহ গোপন রাখবেন ও ক্ষমা করবেন। আল্লাহ আমাদের উত্তম আচরণের অধিকারী হওয়ার তৌফিক দান করুন। (সুরা হুজরাত, আয়াত: ১১-১২)
Sangbad365 Admin 










