ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে আমাদের অঞ্চলে অন্দরসজ্জায় মূলত ইউরোপীয় ধারা অনুকরণ করা হতো। যাকে আমরা ভিক্টোরিয়ান ও ক্ল্যাসিক্যাল ধারা হিসেবে জানি। আসবাব থেকে শুরু করে রং ও অন্যান্য উপকরণে সেই শৈলীর ছাপ দেখা যেত। আধুনিক এ সময়ে মানুষ সারল্য, মিনিমালিজম আর পরিবেশকে গুরুত্ব দিয়ে পরিবেশবান্ধব জীবনধারাকে বেছে নিচ্ছেন। তাই এখন নিজের বসত বা অফিসের অন্দরসজ্জায় শোভা পায় মিনিমালিস্ট ও বিবিধ ব্যবহারোপযোগী আসবাব, প্রাকৃতিক আলোয় রঙিন হালকা নকশা, কিছুটা খোলা জায়গা এবং শিল্পদক্ষতার নিখুঁত কোনো সমন্বয়। সবচেয়ে আধুনিক অন্দরসজ্জা কার্যকর ও অনবদ্য হয় তখনই, যখন তা স্থাপত্য নির্মাণের সঙ্গে মানিয়ে যায়। অনেকেই মনে করেন, ভবনের নকশা করা, মৌলিক কাঠামোর বিন্যাস, কাঠামোগত অখণ্ডতা এবং বিল্ডিং কোড বা নিয়মকানুন বিবেচনায় নিয়ে কাজ শেষ করাই একজন স্থপতির কাজ; কিন্তু আমার স্থাপত্য নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতায় দেখছি, স্থাপত্যের বাহির ও অন্দরের সম্পর্ক যদি সূক্ষ্মভাবে একজন স্থপতি মিলিয়ে দেখেন, তাহলে অন্দরসজ্জার জন্য আলাদা করে ভাবতে হয় না।
স্থাপত্যকে দাঁড় করানোই শুধু স্থপতির কাজ নয়, ভবনের দর্শন আর অন্তঃসজ্জা নিয়েও সমানভাবে ভাবতে হয়। এতে ভবন আরও জীবন্ত, টেকসই ও নান্দনিক হয়। অন্দরসজ্জার মৌলিক বিষয়গুলো নকশার শুরু থেকেই স্থপতির ভাবনায় অন্তর্ভুক্ত থাকে।
Sangbad365 Admin 








