স্থানীয় দুই বাসিন্দা বলেন, মসজিদের কারণে এলাকার অন্য রকম একটা পরিচিতি আছে। অনেক মানুষ পুরোনো মসজিদটি দেখতে আসেন। কেউ ছবি তোলেন, আবার কেউ ভিডিও করেন।
গবেষক-লেখক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট খুলনার অতিরিক্ত পরিচালক খ ম রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, দেড় শ বছরের পুরোনো মসজিদটি ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে আজও গৌরবের সঙ্গে টিকে আছে। মোগল আমলে নির্মিত মসজিদগুলোর সঙ্গে এই মসজিদের স্থাপত্যশৈলীর বেশ মিল পাওয়া যায়। জমিদারবাড়ি ও মসজিদ ঘিরে চারদিকে প্রবহমান ভদ্রাবতী নদী আরও বেশি সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিয়েছে।
Sangbad365 Admin 








