কোরআনের প্রাচীন মুফাসসিরগণ সপ্তাকাশের আলোচনাকে মহান আল্লাহর অসীম কুদরত হিসেবেই গ্রহণ করেছেন। ইবনে কাসির (রহ.) উল্লেখ করেছেন, আসমানসমূহ একটির ওপর আরেকটি ছাতার মতো অবস্থিত। (ইবনে কাসির, তাফসিরু কুরআনিল আজিম, ২/২৩, দারু তাইয়িবা, রিয়াদ, ১৯৯৯)
বর্তমান সময়ের চিন্তাবিদগণ মনে করেন, সাত আসমান কেবল একটি সংখ্যা নয়, বরং এটি সমগ্র সৃষ্টির এক অনন্য বিন্যাস। যদি প্রথম আসমানই আমাদের পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব হয়, যা প্রায় ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ বিস্তৃত, তবে বাকি আসমানগুলো হয়তো এমন মাত্রায় অবস্থিত, যা বর্তমান মানবীয় প্রযুক্তিতে ধরাছোঁয়ার বাইরে।
ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, সাত আসমান কেবল একটি বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নয়, বরং এটি স্রষ্টার সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আকাশ পৃথিবীর স্তরে স্তরে বিন্যস্ত হওয়া, নক্ষত্ররাজি দ্বারা প্রথম আসমান সুশোভিত থাকা এবং এর ঊর্ধ্বজগতে আল্লাহর আরশ ও জান্নাতের অবস্থান—এই সবকিছুই মুমিনের দৃষ্টিতে এক সুশৃঙ্খল মহাজাগতিক পরিকল্পনার অংশ।
Sangbad365 Admin 











