গত ১৮ ডিসেম্বর ওই তিনজনকে দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তারের অনুমতির জন্য ৪ জানুয়ারি আদালতে আবেদন করা হলে আদালত তিনজনকেই মামলায় গ্রেপ্তারের অনুমোদন দেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সড়ক বিভাগের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, শরীয়তপুর সড়ক বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে গোপালগঞ্জ সড়ক সার্কেল ও জোনের অধীন বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিচালনা করে আসছে। শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের একটি কাজের দরপত্র অনুমোদনের জন্য ওই টাকা গোপালগঞ্জ সড়ক সার্কেল ও জোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। টাকার ব্যাগে ‘সার্কেল’ ও ‘জোন’ লেখা থাকায় বিষয়টি আরও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে।
ওই কর্মকর্তাদের দাবি, আটক ব্যক্তিরা মূলত টাকা বহনকারী ছিলেন।
Sangbad365 Admin 










