০৪:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুবকের গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী আটক

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬০০৬ Time View

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় গোলাম মোস্তফা (৩৫) নামের এক যুবকের গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী শারমিন আক্তার সাথীর (২৯) বিরুদ্ধে। 

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ মোস্তফার পরিবার ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত সাথীকে আটক করে থানায় নিয়েছে। তিনি এখন পুলিশি হেফাজতে পঞ্চগড় সদর থানায় আছেন। 

আহত মোস্তফাকে উদ্ধার করে প্রথমে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

মোস্তফা ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সুজাউল হকের ছেলে। তিনি কৃষক ও দিনমজুর। কী কারণে মোস্তফার গোপনাঙ্গ কাটা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, প্রায় ১২ বছর আগে মোস্তফা ও সাথীর বিয়ে হয়। তাদের এক মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান আছে। রবিবার ভোর রাতে পরিবারের সদস্যরা সেহরি খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। ভোর ৬টার দিকে মোস্তফা চিৎকার করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। 

এদিকে, মোস্তফার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, সাথী প্রায় ৬ মাস আগে পারিবারিক দ্বন্দ্বে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তবে, পরে সাথী ও মোস্তফার সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল।

মোস্তফার বাবা সুজাউল হক বলেছেন, “ভোরে ছেলে আমাদেরকে ডাকাডাকি করলে আমরা ঘরের দরজা খুলি। এর পর সে তার গোপনাঙ্গ হাতে নিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় লুঙ্গি তুলে আমাদেরকে দেখায়। তার স্ত্রী কেটে দিয়েছে বলে আমাদেরকে জানায়। আমরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় হাসপাতালে নিই। সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে রংপুর হাসপাতালে পাঠান। আমার ছেলের সাথে এমন ঘটনায় আমি বিচার চাই।”

মোস্তফার ছোট ভাই মুন্না হাসান বলেন, “আমরা জেনেছি, গতকাল শনিবার ভাবি আমার ভাতিজির মাধ্যমে (আটক সাথীর মেয়ে) দোকান থেকে ব্লেড কিনে আনেন। সেই ব্লেড দিয়ে আমার ভাইকে শেষ করে দিয়েছে। আমরা ব্লেডটি রক্তাক্ত বিছানার নিচে পেয়েছি। আমরা এর সুষ্ঠু ও কঠিন বিচার দাবি করছি।”

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, “অভিযুক্ত নারীকে আটক করা হয়েছে। তবে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কিছু বলছেন না। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগঃ

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অপব্যবহার হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

যুবকের গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী আটক

সময়ঃ ১২:০০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় গোলাম মোস্তফা (৩৫) নামের এক যুবকের গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী শারমিন আক্তার সাথীর (২৯) বিরুদ্ধে। 

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ মোস্তফার পরিবার ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত সাথীকে আটক করে থানায় নিয়েছে। তিনি এখন পুলিশি হেফাজতে পঞ্চগড় সদর থানায় আছেন। 

আহত মোস্তফাকে উদ্ধার করে প্রথমে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

মোস্তফা ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সুজাউল হকের ছেলে। তিনি কৃষক ও দিনমজুর। কী কারণে মোস্তফার গোপনাঙ্গ কাটা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, প্রায় ১২ বছর আগে মোস্তফা ও সাথীর বিয়ে হয়। তাদের এক মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান আছে। রবিবার ভোর রাতে পরিবারের সদস্যরা সেহরি খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। ভোর ৬টার দিকে মোস্তফা চিৎকার করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। 

এদিকে, মোস্তফার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, সাথী প্রায় ৬ মাস আগে পারিবারিক দ্বন্দ্বে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তবে, পরে সাথী ও মোস্তফার সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল।

মোস্তফার বাবা সুজাউল হক বলেছেন, “ভোরে ছেলে আমাদেরকে ডাকাডাকি করলে আমরা ঘরের দরজা খুলি। এর পর সে তার গোপনাঙ্গ হাতে নিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় লুঙ্গি তুলে আমাদেরকে দেখায়। তার স্ত্রী কেটে দিয়েছে বলে আমাদেরকে জানায়। আমরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় হাসপাতালে নিই। সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে রংপুর হাসপাতালে পাঠান। আমার ছেলের সাথে এমন ঘটনায় আমি বিচার চাই।”

মোস্তফার ছোট ভাই মুন্না হাসান বলেন, “আমরা জেনেছি, গতকাল শনিবার ভাবি আমার ভাতিজির মাধ্যমে (আটক সাথীর মেয়ে) দোকান থেকে ব্লেড কিনে আনেন। সেই ব্লেড দিয়ে আমার ভাইকে শেষ করে দিয়েছে। আমরা ব্লেডটি রক্তাক্ত বিছানার নিচে পেয়েছি। আমরা এর সুষ্ঠু ও কঠিন বিচার দাবি করছি।”

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, “অভিযুক্ত নারীকে আটক করা হয়েছে। তবে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কিছু বলছেন না। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”