কাবা পুনর্নির্মাণকালে সেই ‘আল-আমিন’কে দেখে কোরাইশদের সমবেত আনন্দধ্বনি প্রমাণ করে যে, সত্য তাদের সামনে দিবালোকের মতো স্পষ্ট ছিল। কিন্তু সত্য গ্রহণ করার জন্য যে বিনয় ও ত্যাগ প্রয়োজন, তা তাদের ছিল না।
কাবার সেই পাথর স্থাপন কেবল একটি স্থাপতত্যের কাজ ছিল না, বরং তা ছিল ইব্রাহিমি মিল্লাতের পুনর্জাগরণ। আল্লাহর রাসুলের নবুয়ত পূর্ব ৪ বছরের নিষ্কলঙ্ক জীবনই ছিল তাঁর নবী হওয়ার সবচেয়ে বড় দলিল।
হাদিস শরিফে এসেছে, “আমি তোমাদের নিকট একটি ভয়াবহ শাস্তি আসার পূর্বলক্ষণস্বরূপ সতর্ককারী।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৭৭০)
আজকের পৃথিবীতেও আমরা যখন সত্যকে জেনেও নিজেদের স্বার্থের কারণে তা প্রত্যাখ্যান করি, তখন আমরা সেই জাহেলি মনস্তত্ত্বেরই পরিচয় দিই।
Sangbad365 Admin 










