১২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রজব মাসের ভুল আমল

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬০১২ Time View

রজব মাসের প্রথম শুক্রবারের রাতে আমাদের দেশে অনেক মসজিদে বা বাড়িতে ‘সালাতুর রাগায়েব’ নামক একটি বিশেষ পদ্ধতির নামাজ পড়তে দেখা যায়। মাগরিব ও ইশার মাঝখানে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে এই নামাজ পড়ার প্রথা রয়েছে। ইসলামি আইনবিদগণের সর্বসম্মত মতে, এই নামাজটি একটি ভুল আমল ও বিদআত। 

হিজরি চতুর্থ শতকের পর এই নামাজের প্রচলন শুরু হয়, যার কোনো অস্তিত্ব সাহাবি বা তাবেয়িদের যুগে ছিল না।

ইমাম নববী (রহ.)-কে যখন এই নামাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় এর নিন্দা করেন। বলেন, “এটি একটি কুৎসিত এবং বানোয়াট বিদআত যা অত্যন্ত কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করা আবশ্যক।

অনেক দেশে এর আধিক্য দেখে বা ইহয়াউ উলুমিদ্দিন কিংবা কুতুল কুলুব গ্রন্থে এর উল্লেখ দেখে ধোঁকায় পড়া উচিত নয়। এটি বাতিল ও প্রমাদ ছাড়া আর কিছুই নয়।” (ইমাম নববী, ফাতাওয়া আল-ইমাম আন-নাবাবী, পৃষ্ঠা: ৪৭, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত, ১৯৯৬)

নবীজি (সা.) স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, “যে ব্যক্তি আমাদের ইসলামের ভেতর এমন কিছু উদ্ভাবন করল যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৬৯৭)

ট্যাগঃ

রজব মাসের ভুল আমল

সময়ঃ ১২:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

রজব মাসের প্রথম শুক্রবারের রাতে আমাদের দেশে অনেক মসজিদে বা বাড়িতে ‘সালাতুর রাগায়েব’ নামক একটি বিশেষ পদ্ধতির নামাজ পড়তে দেখা যায়। মাগরিব ও ইশার মাঝখানে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে এই নামাজ পড়ার প্রথা রয়েছে। ইসলামি আইনবিদগণের সর্বসম্মত মতে, এই নামাজটি একটি ভুল আমল ও বিদআত। 

হিজরি চতুর্থ শতকের পর এই নামাজের প্রচলন শুরু হয়, যার কোনো অস্তিত্ব সাহাবি বা তাবেয়িদের যুগে ছিল না।

ইমাম নববী (রহ.)-কে যখন এই নামাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় এর নিন্দা করেন। বলেন, “এটি একটি কুৎসিত এবং বানোয়াট বিদআত যা অত্যন্ত কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করা আবশ্যক।

অনেক দেশে এর আধিক্য দেখে বা ইহয়াউ উলুমিদ্দিন কিংবা কুতুল কুলুব গ্রন্থে এর উল্লেখ দেখে ধোঁকায় পড়া উচিত নয়। এটি বাতিল ও প্রমাদ ছাড়া আর কিছুই নয়।” (ইমাম নববী, ফাতাওয়া আল-ইমাম আন-নাবাবী, পৃষ্ঠা: ৪৭, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত, ১৯৯৬)

নবীজি (সা.) স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, “যে ব্যক্তি আমাদের ইসলামের ভেতর এমন কিছু উদ্ভাবন করল যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৬৯৭)