০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৬০১৩ Time View

লালমনিরহাট সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:৫১, ৮ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ২২:৫২, ৮ এপ্রিল ২০২৬

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আলী হোসেনের (৪৫) মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে ধবলগুড়ি সীমান্তের ৮৬৮/৩-এস নম্বর মেইন পিলার এলাকা দিয়ে মরদেহটি হস্তান্তর করে বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশ।

নিহত আলী হোসেন সীমান্ত এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ৭-৮ জনের একটি দল ধবলগুড়ি সীমান্তের শূন্যরেখা দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। দলটি ভারতের প্রায় ৫০০ গজ অভ্যন্তরে ঢুকে পড়লে বিএসএফ দ্বিতীয়বার গুলি চালায়। এতে বিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই আলী হোসেন মারা যান। পরে বিএসএফ তার মরদেহ নিয়ে যায়।

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবি পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানালে বিএসএফ তাতে সাড়া দেয়। বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএসএফ গুলির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন তিস্তা ব্যাটালিয়ন-৬১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম। বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্বে ছিলেন ১৫৬ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট শ্রী সৌরভ।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাত ৯টার দিকে শ্রীমুখ কোম্পানি কমান্ডার রাজেশ কুমার ইয়াদব ও ভারতীয় পুলিশ বিজিবির উপস্থিতিতে মরদেহটি পাটগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ নিহতের বড় ভাই আনোয়ার হোসেনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পাটগ্রাম থানার ওসি নাজমুল হক বলেন, “বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশের কাছ থেকে মরদেহ বুঝে পাওয়ার পর রাতেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

ঢাকা/নিয়াজ/রাজীব

ট্যাগঃ

বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর

সময়ঃ ১২:০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

লালমনিরহাট সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:৫১, ৮ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ২২:৫২, ৮ এপ্রিল ২০২৬

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আলী হোসেনের (৪৫) মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে ধবলগুড়ি সীমান্তের ৮৬৮/৩-এস নম্বর মেইন পিলার এলাকা দিয়ে মরদেহটি হস্তান্তর করে বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশ।

নিহত আলী হোসেন সীমান্ত এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ৭-৮ জনের একটি দল ধবলগুড়ি সীমান্তের শূন্যরেখা দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। দলটি ভারতের প্রায় ৫০০ গজ অভ্যন্তরে ঢুকে পড়লে বিএসএফ দ্বিতীয়বার গুলি চালায়। এতে বিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই আলী হোসেন মারা যান। পরে বিএসএফ তার মরদেহ নিয়ে যায়।

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবি পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানালে বিএসএফ তাতে সাড়া দেয়। বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএসএফ গুলির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন তিস্তা ব্যাটালিয়ন-৬১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম। বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্বে ছিলেন ১৫৬ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট শ্রী সৌরভ।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাত ৯টার দিকে শ্রীমুখ কোম্পানি কমান্ডার রাজেশ কুমার ইয়াদব ও ভারতীয় পুলিশ বিজিবির উপস্থিতিতে মরদেহটি পাটগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ নিহতের বড় ভাই আনোয়ার হোসেনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পাটগ্রাম থানার ওসি নাজমুল হক বলেন, “বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশের কাছ থেকে মরদেহ বুঝে পাওয়ার পর রাতেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

ঢাকা/নিয়াজ/রাজীব