১২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজেদের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প লিখে পুরস্কার জিতলেন তিন নারী

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৬০০৪ Time View

এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হেমাস কনজ্যুমার ব্র্যান্ডস বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অফিসার তাহসীন আলম রাদীদ, প্রথম আলোর সহকারী মহাব্যবস্থাপক রুহুল আমিন রনি, সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শাহাদাত হোসেন সোহেল এবং আয়োজনটির সহযোগী এজেন্সি এশিয়াটিক মিডিয়া লিমিটেডের কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর সিনিয়র কনটেন্ট ম্যানেজার খায়রুল বাবুই।

বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে আয়েশা কবির বলেন, ‘আমাকে অনেকেই বলেন, নারী দিবস পালনের উদ্দেশ্য কী? এটি আমাদের কিছুটা হেয় করছে কি না? আমার মনেও ঠিক এমন প্রশ্ন আসত। কিন্তু যখন দেখি কন্যাসন্তান জন্ম নিলে এখনো অনেকেরই মন খারাপ করে, তখন মনে হয়, এসব কাটিয়ে উঠতে আমাদের নানা উদ্যোগ নিতে হবে। তবে আমরা চাই, দ্রুতই সেই দিন আসুক, যেদিক আর আলাদা করে নারী দিবস পালন করতে হবে না।’ বিজয়ীদের উদ্দেশে আয়েশা কবির বলেন, ‘আপনারা হলেন সত্যিকার রোল মডেল। আমরা চাই, আপনাদের গল্পগুলো সবাই জানুক এবং অনুপ্রাণিত হোক।’

ক্যাম্পেইনটির পটভূমি সম্পর্কে রিয়াদ মোর্শেদ বলেন, ‘যাঁরা এই ক্যাম্পেইনে নিজেদের গল্প লিখে পাঠিয়ে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ প্রথম আলোকে, সুযোগটি তৈরি করে দেওয়ার জন্য। কুমারিকার লক্ষ্য শুধু পণ্য বিক্রি নয়, আমাদের গ্রাহক যেহেতু নারী, তাই আমরা চাই, তাঁরা এগিয়ে যান। নারীরা এগিয়ে গেলেই আমরাও এগিয়ে যাই। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যই ছিল নারীদের অনুপ্রেরণা জোগানো এবং তাঁদের অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া। ভবিষ্যতেও আমরা প্রথম আলোর সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগে অংশ নিতে চাই।’

ট্যাগঃ

নিজেদের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প লিখে পুরস্কার জিতলেন তিন নারী

সময়ঃ ১২:০০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হেমাস কনজ্যুমার ব্র্যান্ডস বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অফিসার তাহসীন আলম রাদীদ, প্রথম আলোর সহকারী মহাব্যবস্থাপক রুহুল আমিন রনি, সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শাহাদাত হোসেন সোহেল এবং আয়োজনটির সহযোগী এজেন্সি এশিয়াটিক মিডিয়া লিমিটেডের কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর সিনিয়র কনটেন্ট ম্যানেজার খায়রুল বাবুই।

বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে আয়েশা কবির বলেন, ‘আমাকে অনেকেই বলেন, নারী দিবস পালনের উদ্দেশ্য কী? এটি আমাদের কিছুটা হেয় করছে কি না? আমার মনেও ঠিক এমন প্রশ্ন আসত। কিন্তু যখন দেখি কন্যাসন্তান জন্ম নিলে এখনো অনেকেরই মন খারাপ করে, তখন মনে হয়, এসব কাটিয়ে উঠতে আমাদের নানা উদ্যোগ নিতে হবে। তবে আমরা চাই, দ্রুতই সেই দিন আসুক, যেদিক আর আলাদা করে নারী দিবস পালন করতে হবে না।’ বিজয়ীদের উদ্দেশে আয়েশা কবির বলেন, ‘আপনারা হলেন সত্যিকার রোল মডেল। আমরা চাই, আপনাদের গল্পগুলো সবাই জানুক এবং অনুপ্রাণিত হোক।’

ক্যাম্পেইনটির পটভূমি সম্পর্কে রিয়াদ মোর্শেদ বলেন, ‘যাঁরা এই ক্যাম্পেইনে নিজেদের গল্প লিখে পাঠিয়ে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ প্রথম আলোকে, সুযোগটি তৈরি করে দেওয়ার জন্য। কুমারিকার লক্ষ্য শুধু পণ্য বিক্রি নয়, আমাদের গ্রাহক যেহেতু নারী, তাই আমরা চাই, তাঁরা এগিয়ে যান। নারীরা এগিয়ে গেলেই আমরাও এগিয়ে যাই। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যই ছিল নারীদের অনুপ্রেরণা জোগানো এবং তাঁদের অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া। ভবিষ্যতেও আমরা প্রথম আলোর সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগে অংশ নিতে চাই।’