০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়িতে গোলাগুলি, দুই ইউপিডিএফ সদস্য নিহত

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ১৬০০৫ Time View

খাগড়াছড়িতে গোলাগুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসিত) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার দীঘিনালা ও রামগর ইউনিয়নের পৃথক দুই জায়গায় এ ঘটনা ঘটে। দুই নেতার একজন নিরাপত্তাবাহিনী ও আরেকজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি ইউপিডিএফের।

পুলিশ, স্থানীয় ও দলীয় সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টার দিকে রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলি হয়। এতে ইউপিডিএফ সদস্য ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন। তিনি রামগড় উপজেলার মাজারা টিলা গ্রামের বাসিন্দা। একই ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) নামের একজন আহত হয়েছেন বলে দাবি ইউপিডিএফের। তাঁর বাড়ি উপজেলার দাতারাম পাড়ায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করে নিরাপত্তাবাহিনী।

ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, প্রেমতলা এলাকায় আগে থেকে অবস্থান নেওয়া নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ইউপিডিএফ কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে ববিন ত্রিপুরা নিহত হন। এ ঘটনায় মংসানু মারমা নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁদের ধারণা।

নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করেন রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলটি দুর্গম এলাকায় হওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনী এখনো নিহতের মরদেহ কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান।

অন্যদিকে আজ দুপুরে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়ার মুড়োপাড়া এলাকায় গুলিতে সুজন চাকমা (৪৮) নামের এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জেএসএসকে দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। তবে এ বিষয়ে জেএসএসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আজ বিকেল পাঁচটায় এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ইউপিডিএফ। সংগঠনের মুখপাত্র অংগ্য মারমার সই করা এ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, জেএসএসের অস্ত্রধারী কয়েকজন তাঁদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। এ সময় সাংগঠনিক কাজে বাবুছড়ার মুড়োপাড়ায় অবস্থানরত তাঁদের সদস্য সুজন চাকমাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

জানতে চাইলে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল বাহার বলেন, সুজন চাকমা বাবুছড়া মুরোপাড়ায় একটি দোকানে বসে ছিল। এ সময় পাঁচজন মুখোশধারী কিছু লোক মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে চলে যায়। লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশের শরীরে তিনটি গুলি লেগেছে।

ট্যাগঃ

খাগড়াছড়িতে গোলাগুলি, দুই ইউপিডিএফ সদস্য নিহত

সময়ঃ ১২:০৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

খাগড়াছড়িতে গোলাগুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসিত) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার দীঘিনালা ও রামগর ইউনিয়নের পৃথক দুই জায়গায় এ ঘটনা ঘটে। দুই নেতার একজন নিরাপত্তাবাহিনী ও আরেকজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি ইউপিডিএফের।

পুলিশ, স্থানীয় ও দলীয় সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টার দিকে রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলি হয়। এতে ইউপিডিএফ সদস্য ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন। তিনি রামগড় উপজেলার মাজারা টিলা গ্রামের বাসিন্দা। একই ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) নামের একজন আহত হয়েছেন বলে দাবি ইউপিডিএফের। তাঁর বাড়ি উপজেলার দাতারাম পাড়ায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করে নিরাপত্তাবাহিনী।

ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, প্রেমতলা এলাকায় আগে থেকে অবস্থান নেওয়া নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ইউপিডিএফ কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে ববিন ত্রিপুরা নিহত হন। এ ঘটনায় মংসানু মারমা নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁদের ধারণা।

নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করেন রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলটি দুর্গম এলাকায় হওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনী এখনো নিহতের মরদেহ কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান।

অন্যদিকে আজ দুপুরে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়ার মুড়োপাড়া এলাকায় গুলিতে সুজন চাকমা (৪৮) নামের এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জেএসএসকে দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। তবে এ বিষয়ে জেএসএসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আজ বিকেল পাঁচটায় এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ইউপিডিএফ। সংগঠনের মুখপাত্র অংগ্য মারমার সই করা এ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, জেএসএসের অস্ত্রধারী কয়েকজন তাঁদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। এ সময় সাংগঠনিক কাজে বাবুছড়ার মুড়োপাড়ায় অবস্থানরত তাঁদের সদস্য সুজন চাকমাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

জানতে চাইলে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল বাহার বলেন, সুজন চাকমা বাবুছড়া মুরোপাড়ায় একটি দোকানে বসে ছিল। এ সময় পাঁচজন মুখোশধারী কিছু লোক মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে চলে যায়। লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশের শরীরে তিনটি গুলি লেগেছে।