০১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারীবান্ধব নির্বাচনী ইশতেহার চাই

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬০৫৭ Time View

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, তাঁর দল যদি ক্ষমতা প্রভাবিত করার নিয়ামক হয়, তাহলে তাঁর দল নারীবান্ধব প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি বলেন, রাজনীতিতে থাকা নারীরাও অনলাইন–অফলাইনে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তবে এক দলের নারীরা হয়রানির শিকার হলে অন্য দলকে তা নিয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা যায় না। এ ধরনের প্রবণতা থেকে বের হওয়া দরকার।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নারী সেলের সদস্য তাহমিনা ইয়াসমিন বলেন, দেশের নির্বাচনী সংস্কৃতি পুরুষতান্ত্রিক। নারীদের মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি দীর্ঘ চর্চার মধ্য দিয়ে আসতে হবে। সিপিবি অন্তত ৩০ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দিতে চেষ্টা করবে।

গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য তাসলিমা আখতার বলেন, শিশু লালন–পালন ও গার্হস্থ্যকাজ নারী ও পুরষ দুজনেরই কাজ এবং নারী–পুরুষের জন্য একটি জাতীয় মজুরি তৈরি করা—এ দুটি বিষয়কে ইশতেহারে গুরুত্বে দেবে তাঁর দল।

নাগরিক সমাজের পক্ষে একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, ‘নারীর রাজনীতিতে অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বন্ধে ব্যবস্থা চাই। নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন চাই। রাজনৈতিক দল যখন ইশতেহার দেয় এবং যখন ইশতেহার বাস্তবায়ন করে না, তখন তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার প্রক্রিয়া কী সেটা জানতে চাই।’

ট্যাগঃ

নারীবান্ধব নির্বাচনী ইশতেহার চাই

সময়ঃ ১২:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, তাঁর দল যদি ক্ষমতা প্রভাবিত করার নিয়ামক হয়, তাহলে তাঁর দল নারীবান্ধব প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি বলেন, রাজনীতিতে থাকা নারীরাও অনলাইন–অফলাইনে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তবে এক দলের নারীরা হয়রানির শিকার হলে অন্য দলকে তা নিয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা যায় না। এ ধরনের প্রবণতা থেকে বের হওয়া দরকার।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নারী সেলের সদস্য তাহমিনা ইয়াসমিন বলেন, দেশের নির্বাচনী সংস্কৃতি পুরুষতান্ত্রিক। নারীদের মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি দীর্ঘ চর্চার মধ্য দিয়ে আসতে হবে। সিপিবি অন্তত ৩০ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দিতে চেষ্টা করবে।

গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য তাসলিমা আখতার বলেন, শিশু লালন–পালন ও গার্হস্থ্যকাজ নারী ও পুরষ দুজনেরই কাজ এবং নারী–পুরুষের জন্য একটি জাতীয় মজুরি তৈরি করা—এ দুটি বিষয়কে ইশতেহারে গুরুত্বে দেবে তাঁর দল।

নাগরিক সমাজের পক্ষে একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, ‘নারীর রাজনীতিতে অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বন্ধে ব্যবস্থা চাই। নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন চাই। রাজনৈতিক দল যখন ইশতেহার দেয় এবং যখন ইশতেহার বাস্তবায়ন করে না, তখন তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার প্রক্রিয়া কী সেটা জানতে চাই।’