১২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুর মেডিকেলে বাড়ছে আগুনে পোড়া রোগী

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬০১৪ Time View

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি শীত মৌসুমে নারী, শিশুসহ ৬০ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন বার্ন ইউনিটে। এর মধ্যে আগুনে পোড়া রোগী রয়েছেন ৫০ জন। শীতের আগে এই ইউনিটে রোগী ছিলেন ৩০-৩৫ জন। রোগীদের অধিকাংশ আগুন পোহাতে গিয়ে পুড়ে গেছেন বলে চিকিৎসক, নার্স ও রোগীর স্বজনেরা জানিয়েছেন। ১৪ শয্যার বার্ন ইউনিটে জায়গা না হওয়ায় রোগীদের সার্জারি, মেডিসিনসহ বিভিন্ন বিভাগে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মো. শাহীন শাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত ১০-১২ দিন থেকে শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। আগুনে পোড়া রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। বার্ন ইউনিটের ১৪টি শয্যা অনেক আগে থেকে পূরণ হয়ে গেছে। এই রোগীদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রেখে আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি।’

সরেজমিন দেখা গেছে, বার্ন ইউনিটে আগুনে পোড়া মানুষ যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। তাঁদের একজন দিনাজপুরের পার্বতীপুরের খাজের পাড়ার মজিদা বেগম (৭৫)। মজিদার নাতনি তাসলিমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর দাদির পা থেকে কোমর পর্যন্ত ২৬ ভাগ অংশ পুড়ে গেছে। তিনি খড়ের গাদার পাশে আগুন পোহাচ্ছিলেন। এ ছাড়া রান্নাঘরের চুলায় আগুন পোহাতে গিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর দগ্ধ হন রংপুরের গঙ্গাচড়ার মহিপুর কলাগাছির চরের সুফিয়া বেগম (৭০)। তিনি বলেন, ‘মরণের জাড় (ঠান্ডা)। জাম্পার (সোয়েটার), কম্বল নাই। শীতোত থাকইপার পাই না। ঘরোর আগুন তপপার যায় কাপড়োত আগুন নাগছে। জ্বালায় হামরা মরি যাই।’

ট্যাগঃ

রংপুর মেডিকেলে বাড়ছে আগুনে পোড়া রোগী

সময়ঃ ১২:০০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি শীত মৌসুমে নারী, শিশুসহ ৬০ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন বার্ন ইউনিটে। এর মধ্যে আগুনে পোড়া রোগী রয়েছেন ৫০ জন। শীতের আগে এই ইউনিটে রোগী ছিলেন ৩০-৩৫ জন। রোগীদের অধিকাংশ আগুন পোহাতে গিয়ে পুড়ে গেছেন বলে চিকিৎসক, নার্স ও রোগীর স্বজনেরা জানিয়েছেন। ১৪ শয্যার বার্ন ইউনিটে জায়গা না হওয়ায় রোগীদের সার্জারি, মেডিসিনসহ বিভিন্ন বিভাগে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মো. শাহীন শাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত ১০-১২ দিন থেকে শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। আগুনে পোড়া রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। বার্ন ইউনিটের ১৪টি শয্যা অনেক আগে থেকে পূরণ হয়ে গেছে। এই রোগীদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রেখে আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি।’

সরেজমিন দেখা গেছে, বার্ন ইউনিটে আগুনে পোড়া মানুষ যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। তাঁদের একজন দিনাজপুরের পার্বতীপুরের খাজের পাড়ার মজিদা বেগম (৭৫)। মজিদার নাতনি তাসলিমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর দাদির পা থেকে কোমর পর্যন্ত ২৬ ভাগ অংশ পুড়ে গেছে। তিনি খড়ের গাদার পাশে আগুন পোহাচ্ছিলেন। এ ছাড়া রান্নাঘরের চুলায় আগুন পোহাতে গিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর দগ্ধ হন রংপুরের গঙ্গাচড়ার মহিপুর কলাগাছির চরের সুফিয়া বেগম (৭০)। তিনি বলেন, ‘মরণের জাড় (ঠান্ডা)। জাম্পার (সোয়েটার), কম্বল নাই। শীতোত থাকইপার পাই না। ঘরোর আগুন তপপার যায় কাপড়োত আগুন নাগছে। জ্বালায় হামরা মরি যাই।’