কিন্তু বাস্তবে অনেক অভিবাসী শ্রমিক স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় ইংরেজিতে ঠিকানা লেখা, পোস্টাল কোড বোঝা কিংবা কোন ঠিকানাটি ব্যবহার করা উচিত—এসব বিষয়ে বিভ্রান্ত হন। এই সীমাবদ্ধতার সুযোগে দেশে কিছু অনানুষ্ঠানিক ‘সেন্টার’ বা ‘তৃতীয় পক্ষ’ গড়ে ওঠে, যারা শ্রমিকদের হয়ে অনলাইনে আবেদন বা অ্যাপ ফিলআপ (পূরণ) করে দেয়।
এতে কিছু সুবিধা মিললেও বড় ঝুঁকি তৈরি হয়; ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা এবং ভোটসংক্রান্ত পুরো প্রক্রিয়া অল্প কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়তে পারে। তখন প্রশ্ন ওঠে, এই ব্যবস্থায় যে অনৈতিক প্রভাব পড়বে না, তার নিশ্চয়তা কে দেবে?
এই পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরব, কুয়েত ও বাহরাইনের ঘটনায় প্রথমেই খতিয়ে দেখতে হবে; একটি বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালট পাওয়ার পেছনে ঠিকানা-সংক্রান্ত বাস্তবতা কাজ করেছে, নাকি অন্য কোনো অনিয়ম রয়েছে?
তবে ঠিকানার যুক্তি দেখিয়ে বিষয়টি পাশ কাটানোও ঠিক হবে না। কারণ, একই জায়গায় ব্যালট পাঠানো স্বাভাবিক হলেও একটি ব্যক্তিগত বাসায় এতগুলো ব্যালট একসঙ্গে জমা হওয়া বা গণনা হওয়া অস্বাভাবিক।
এখানেই তদন্তের মূল বিষয় এবং এখান থেকেই আস্থার সংকট তৈরি হয়। একই সঙ্গে ভোট ডাকযোগে দেশে পৌঁছানোর পর স্থানীয় পোস্ট অফিসসহ মধ্যবর্তী পর্যায়ে অনিয়ম হবে না—এই নিশ্চয়তাও জনমনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
Sangbad365 Admin 











