রমজান মাসে ইবাদতে মনোযোগ ধরে রাখতে হলে আগেভাগেই দুনিয়ার ঝামেলা ও ব্যস্ততাগুলো গোছানো জরুরি। অফিস-আদালত, ব্যবসা কিংবা ব্যক্তিগত নানা দায়িত্ব—যতটা সম্ভব রমজানের আগে কমিয়ে নেওয়া উচিত, যেন ইবাদতের সময়ে অযথা মানসিক চাপ তৈরি না হয়।
তেমনি ইবাদতেও হঠাৎ করে গভীর মনোযোগ আনা কঠিন। তাই রমজানের প্রস্তুতি হিসেবে আগে থেকেই কিছু নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত এবং জিকির আসকারের অভ্যাস তৈরি করলে রমজানে ইবাদত করা অনেক সহজ হয়। অভ্যাস গড়ে উঠলে হৃদয়ও ইবাদতের দিকে ঝুঁকে পড়ে, আর রমজানের বরকতগুলো গ্রহণ করাও সহজ হয়ে যায়।
এ জন্য আমরা যদি রমজান মাস পেতে চাই, তাহলে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে এখন থেকেই। কেননা, যেকোনো অনুষ্ঠানের জন্য আমরা যেমন প্রতীক্ষা ও পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করি, ঠিক তেমনি ইবাদত-বন্দেগি ও ধর্মীয় বিধান পালনের ক্ষেত্রে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।
কারণ, রমজান মাস মুমিনের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের কারণ হয়ে আগমন করে। সুতরাং প্রত্যেক মুমিনেরই রমজানের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখা দরকার।
শারীরিক, মানসিক, বৈষয়িক ও অভ্যাসগত, সবক্ষেত্রেই পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিতে হবে। রমজান পর্যন্ত জীবন পেতে রবের দরবারে বেশি করে দোয়াও করতে হবে। সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের উচিত রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণে মনোযোগী হওয়া।
Sangbad365 Admin 












