হ্যাপিনেস রিসার্চ একাডেমির এ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন নৃবিজ্ঞান, চর্মরোগ ও অ্যাসথেটিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা। গবেষকেরা বলছেন, ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে জন্মানো মিলেনিয়ালদের খাদ্যাভ্যাস ও রূপচর্চায় স্বাস্থ্যকর ধারা বেশি লক্ষ করা যায়। যে কারণে তাঁদের চেহারায় তারুণ্য ও সতেজতা বেশি। তবে ১৯৯৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে যাঁরা জন্মেছেন, অর্থাৎ জেন-জির মধ্যে অতিরিক্ত প্রসাধনীর ব্যবহার ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ঝোঁক বেশি হওয়ায় চেহারায় তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে।
এর মানে কিন্তু এমন নয় যে এই দুটি প্রজন্মের মধ্যে একটি প্রজন্মের সবাই দেখতে তরুণ আর অন্য প্রজন্মের সবাই দেখতে বয়স্ক। বরং বেশির ভাগ মানুষের আচরণ ও বাহ্যিক চেহারা এ আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
টিকটকে ভাইরাল ট্রেন্ডের সারমর্ম অনুযায়ী, ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিরাই ত্বকের ব্যাপারে বেশি জানেন বা সচেতন। তবে কোনো কোনো গবেষক বলছেন, আদতে ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে জন্মানো মিলেনিয়ালরা ত্বকের যত্ন ও স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ে সবচেয়ে ভালো জ্ঞান অর্জন করেছেন। যে কারণে অন্যদের তুলনায় তাঁদের চেহারা বেশি সতেজ দেখায়।
তবে জেন-জিরা প্রসাধনী-বিষয়ক জ্ঞান পেয়েছেন অনেক কম বয়সেই। যে কারণে ভালো–মন্দ বোঝার আগেই তাঁরা সেসব ব্যবহার শুরু করেছেন। একই সঙ্গে এই প্রজন্মের ব্যক্তিরা রাত জাগা, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও জীবনযাপনে অভ্যস্থ হওয়ায় চেহারায় তার ছাপ পড়েছে।
Sangbad365 Admin 










