একটি বড় রাজনৈতিক দলের মাঠে না থাকার বিষয়টি তুলে মার্জিয়া রহমান বলেন, ‘দলটির অপরাধ–বিচারের প্রসঙ্গ এক পাশে রেখে বলা যায়, যারা ক্ষমতায় নেই, তাদের সুরক্ষা দিলে রাষ্ট্র নিরাপদ অবস্থানে আছে, তা বলা যায়। ওই দলের সাধারণ ভোটার, সাপোর্টার তাঁরা এবার ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরাপদবোধ করছেন কি না, তা দেখতে হবে।’
নির্বাচন ও নারীদের সার্বিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মার্জিয়া রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষায় নারীরা এগিয়ে আছে। তাই আমি আজ এখানে বসে কথা বলতে পারছি। রাজনীতিতেও নারীদের জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, তা নেওয়া হয়নি। নারী কেন ঘরে থাকবে, নেতৃত্বে কেন যাবে না—মীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আবার সন্দেহ প্রকাশ করা হচ্ছে। তাই নারীর ক্ষমতার লেনদেন, কর্মসংস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হবে কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গেও একই শঙ্কা আছে। আশাহত হওয়ার পরম্পরা চলছে।’
‘হ্যাঁ’–‘না’ ভোটের বিষয়ে মার্জিয়া রহমানের অবস্থান স্পষ্ট। তাঁর মতে, বিষয়টি পরিষ্কার না করে রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার চালানো মানে জনগণের নির্বাচনের স্বাধীনতাকে খর্ব করা। যেভাবে কোনো একটি দলের প্রতীক নিয়ে সরকারি প্রচার অন্যায্য হতো, ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারও তেমনই অন্যায্য বলে মনে করেন তিনি।
সবকিছু মিলে এবারের নির্বাচনে ‘ধোঁয়াশাময়’একটি পরিবেশ বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেন মার্জিয়া রহমান; তবে মানুষের মধ্যে উৎসাহও থাকার কথাও বলেন তিনি।
Sangbad365 Admin 










