আর্থিক সংকট মোকাবিলায় ও দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সাধারণ মানুষের দুর্দশা লাঘবে আগামী ১০ মার্চ থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
একই সঙ্গে কৃষকদের সহায়তায় আসবে ‘কৃষক কার্ড’ আসবে, জানান তিনি।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ঢাকার ধামরাইয়ে বিডিআর ট্র্যাজেডিতে শহীদ সেনাকর্মকর্তাদের স্মরণে বরিশাল এক্স-ক্যাডেটস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে হেলথ ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ঘরে ঘরে গৃহকর্তীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার রয়েছে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডও দেওয়ার ওয়াদা করেছে দলটি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের ওপর ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড ন্যায্যতার ভিত্তিতে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে এরই মধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে দ্রুত গতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
ড. তিতুমীর বিগত সময়ের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেন, অনেক মানুষ বর্তমানে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে এবং বেকারত্ব বেড়েছে। এই ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে জাতীয় প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করাই এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি শহীদ সেনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “আমাদের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় শহীদরা যে আত্মত্যাগ করেছেন, তার সঠিক বিচার প্রক্রিয়া চলমান। আমরা আশা করি, তাদের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে।”
“সুস্থ ও শিক্ষিত জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য”, যোগা করেন তিতুমীর।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, “বিডিআর পিলখানা-সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিশন হয়েছে এবং বিডিআর হত্যাকান্ডের বিচার যাতে যথাযথভাবে ন্যায্যতার সঙ্গে আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ হয়, সে বিষয়ে সরকার দৃঢ় প্রতীজ্ঞ।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য তমিজউদ্দিন এবং সভাপতিত্ব করেন শহীদ মেজর মাহবুবের মা মিসেস খোদেজা রহমান।
দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে কয়েকশ মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ দেওয়া হয়।
Sangbad365 Admin 









