রমজানের শেষ দশকে তিনি মসজিদে এতেকাফ করতেন। জীবনের শেষ বছরে ২০ দিন পর্যন্ত এতেকাফ করেছিলেন। তিনি বিশেষভাবে কদরের রাত পাওয়ার সন্ধানে ইবাদতে করতেন।
তিনি বলেছেন, “তোমরা শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৮৯৩)
শেষ দশকে তিনি পরিবারকে জাগিয়ে রাখতেন, যাতে তারা ইবাদতে ব্যস্ত থাকে। হজরত আলি (রা.) বলেন, “আল্লাহর রাসুল তাঁর পরিবারের লোকদের রমজানের শেষ দশকে জাগাতেন।” (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৭৯৫)
নবীজি রমজানে অধিক পরিমাণে দোয়া করতেন। আয়েশা (রা.) বললেন, আল্লাহর রাসুল, বলুন তো, যদি আমি কদর রাত পেয়ে যাই, তাহলে কী দোয়া করব?
তিনি বললেন, তুমি বলবে, আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা‘ফু ‘আন্নি। অর্থাৎ, আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল ক্ষমাকে ভালোবাসেন। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করুন। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩৮৫০)
Sangbad365 Admin 










