নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন মনির আলী আকন্দ প্রথম আলোকে বলেন, যুগ যুগ ধরে মানুষ পাতলা দই বা ঘোল কিংবা মাঠা পান করে আসছে। দুধের ননি থেকে মাখন আলাদা করে ফেলার পর চর্বি ছাড়া যে জলীয় অংশ থাকেই, সেটাই আসলে ঘোল বা মাঠা। এটি অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন পানীয়। এতে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন ও উপকারি ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা শরীরের বিভিন্ন উপকারে আসে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। হজমে সহায়তা করার পাশাপাশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ক্লান্তি–অবসন্নতা কমিয়ে মনে প্রশান্তি আনে ও মেজাজ ফুরফুরে রাখে।
নওগাঁয় পাতলা দইয়ের প্রচলন সম্পর্কে কবি ও গবেষক আতাউল হক সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখন যেটাকে আমরা ঘোল কিংবা পাতলা দই বলছি, একসময় এটা মাঠা নামেই বেশি পরিচিত ছিল। ষাট-সত্তরের দশকে শহরের লিটন ব্রিজ এলাকায় মাঠার হাঁড়ি নিয়ে বসতেন ঘোষেরা। প্রচণ্ড গরমের দিন লোকজন সেই মাঠা খেতে হুমড়ি খেয়ে পড়ত। এক গ্লাস মাঠা ৫ থেকে ১০ পয়সা করে বিক্রি হতো। আশি-নব্বইয়ের দশকে শহরের কালীতলা ও চুড়িপট্টি এলাকার মিষ্টির দোকানগুলোতে টক দই বিক্রি শুরু হয়। সেই টক দইয়ে পরিমাণমতো পানি ও লবণ মিশিয়ে মাঠা বা ঘোল তৈরি করার রীতি শুরু হয়।’
Sangbad365 Admin 




