০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে সম্ভাব্য খারাপ পরিস্থিতি কী? ট্রাম্প যা বললেন

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ১৬০৩৯ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ইরান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র যে পরিকল্পনা করেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ সম্ভাব্য পরিস্থিতি কী হতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জবাবে বলেন, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি হতে পারে, “আমরা এই পদক্ষেপ (হামলা) নিলাম, আর এরপর এমন কেউ ক্ষমতায় এলো যিনি আগের ব্যক্তির (খামেনি) মতোই খারাপ।”

তিনি আরো বলেন, “ইরানের নেতৃত্বে আসতে পারেন, এমন কয়েকজন ব্যক্তির কথা আমাদের মাথায় ছিল কিন্তু এখন তারা কেউ বেঁচে নেই।”

ট্রাম্প মন্তব্য করেন, “খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা কাউকেই সেভাবে চিনতে পারব না।”

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হোয়াইট হাউসে জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। পরে তারা সংবাদ সম্মেলন করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে ইরানের সাবেক শাহের ছেলে রেজা পালহভীর প্রসঙ্গ আসে। পাহলভি নিজেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র পতন হলে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত বিরোধী নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। 

তবে ট্রাম্প এই প্রসঙ্গকে গুরুত্ব না দিয়ে বলেন, “দেশের ভেতর থেকেই কেউ নেতৃত্ব দিলে তা বেশি উপযুক্ত হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় মিত্রদের বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। বিশেষ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বিষয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের চার দিন অতিবাহিত হচ্ছে। ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্য ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে পুরো ইউরোপে। জ্বালানি তেল ও  গ্যাসের দাম হুহু  করে বাড়ছে। ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তায় পতন হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বড় বড় শেয়ারবাজারে, এমন কি ওয়াল স্ট্রিটও এই প্রভাবের বাইরে নয়। ফলে নড়েচড়ে বসেছেন ইউরোপের নেতারা।

ট্যাগঃ

টিভিতে আজকের খেলা (১৬ জুন, ২০২৬)

ইরানে সম্ভাব্য খারাপ পরিস্থিতি কী? ট্রাম্প যা বললেন

সময়ঃ ১২:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ইরান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র যে পরিকল্পনা করেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ সম্ভাব্য পরিস্থিতি কী হতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জবাবে বলেন, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি হতে পারে, “আমরা এই পদক্ষেপ (হামলা) নিলাম, আর এরপর এমন কেউ ক্ষমতায় এলো যিনি আগের ব্যক্তির (খামেনি) মতোই খারাপ।”

তিনি আরো বলেন, “ইরানের নেতৃত্বে আসতে পারেন, এমন কয়েকজন ব্যক্তির কথা আমাদের মাথায় ছিল কিন্তু এখন তারা কেউ বেঁচে নেই।”

ট্রাম্প মন্তব্য করেন, “খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা কাউকেই সেভাবে চিনতে পারব না।”

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হোয়াইট হাউসে জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। পরে তারা সংবাদ সম্মেলন করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে ইরানের সাবেক শাহের ছেলে রেজা পালহভীর প্রসঙ্গ আসে। পাহলভি নিজেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র পতন হলে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত বিরোধী নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। 

তবে ট্রাম্প এই প্রসঙ্গকে গুরুত্ব না দিয়ে বলেন, “দেশের ভেতর থেকেই কেউ নেতৃত্ব দিলে তা বেশি উপযুক্ত হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় মিত্রদের বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। বিশেষ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বিষয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের চার দিন অতিবাহিত হচ্ছে। ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্য ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে পুরো ইউরোপে। জ্বালানি তেল ও  গ্যাসের দাম হুহু  করে বাড়ছে। ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তায় পতন হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বড় বড় শেয়ারবাজারে, এমন কি ওয়াল স্ট্রিটও এই প্রভাবের বাইরে নয়। ফলে নড়েচড়ে বসেছেন ইউরোপের নেতারা।