যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরানের জ্বালানি ডিপোগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তবে তারা ইরানের জ্বালানি খাত, বিশেষ করে তেল ও গ্যাস শিল্প লক্ষ্য করে কোনো হামলার পরিকল্পনা করছে না।
রবিবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, এসব হামলা ছিল ‘ইসরায়েলের আঘাত’, যা স্থানীয় জ্বালানি ডিপোতে করা হয়েছে। মূলত যানবাহনের জন্য জ্বালানি ভরার জায়গাগুলোতে হামলা করেছে ইসরায়েল।
তিনি বলেন, শনিবার তেহরান ও এর আশপাশের তেল সংরক্ষণাগারগুলোতে হামলার ফলে বড় বড় আগুনের ঘটনা ঘটে।
ক্রিস রাইট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের কোনো জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করছে না এবং দেশটির তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস শিল্পে হামলারও কোনো পরিকল্পনা নেই।
এদিকে যুদ্ধের কারণে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সাধারণত বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এই পথ দিয়েই পরিবহন করা হয়।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) একজন মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা বন্ধ না করে, তাহলে তারা পাল্টা জবাব দেবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে নাম প্রকাশ না করা ওই মুখপাত্র অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বেসামরিক মানুষ এবং জ্বালানি ও তেল-সংক্রান্ত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, আইআরজিসি এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো পাল্টা হামলা থেকে বিরত থেকেছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে এসব হামলা বন্ধ করতে বলেন। তা না হলে এই অঞ্চলেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, “আপনারা যদি প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২০০ ডলারের বেশি হলেও মেনে নিতে পারেন, তাহলে এই খেলা চালিয়ে যান।”
Sangbad365 Admin 












