০৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণরায় কখনো কিতাবের কাছে মাথা নত করে না: হাসনাত

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৬০০৬ Time View

সংবিধান সংস্কার নিয়ে চলমান রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে জাতীয় সংসদে কঠোর অবস্থান তুলে ধরেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, গণরায়ের শক্তির চেয়ে কোনো লিখিত কেতাব বা বিধান বড় নয়। তিনি বলেন, গণরায় কখনো কেতাবের কাছে মাথা নত করে না।  রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের ইচ্ছাই হওয়া উচিত চূড়ান্ত ও সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তের ভিত্তি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানসংক্রান্ত মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

হাসনাত বলেন, “গণভোটে ৬৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ ইতোমধ্যেই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন সংবিধানের কোন কোন মৌলিক জায়গায় পরিবর্তন প্রয়োজন। তাই জনগণের এই রায়কে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।”

রাজনৈতিক বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সংবিধানকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যানের কথা বললেই কাউকে স্বাধীনতাবিরোধী বলা কতটা যৌক্তিক।”

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

এর আগে সংসদে আন্দালিব রহমান পার্থ-এর বক্তব্যের জবাবে হাসনাত বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধানের সুবিধাজনক অংশ গ্রহণ করছে, আর অসুবিধাজনক অংশ উপেক্ষা করছে। এতে সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।”

তিনি আরো বলেন, “সংবিধান মেনে চলার প্রশ্ন উঠলে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।”

অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও নিয়োগের উদাহরণ টেনে তিনি দাবি করেন, “সংবিধানকে অনেক সময় পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়েছে।”

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রের কাঠামো ও ভবিষ্যৎ গঠনে জনগণের মতামতই মূল চালিকাশক্তি হওয়া উচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, আন্দোলন ও ত্যাগের মাধ্যমে যে পরিবর্তন এসেছে, তার মূলে রয়েছে জনগণের ইচ্ছা। ফলে কোনো লিখিত দলিলের সীমাবদ্ধতার চেয়ে জনগণের সিদ্ধান্তই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগঃ

গণরায় কখনো কিতাবের কাছে মাথা নত করে না: হাসনাত

সময়ঃ ১২:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

সংবিধান সংস্কার নিয়ে চলমান রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে জাতীয় সংসদে কঠোর অবস্থান তুলে ধরেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, গণরায়ের শক্তির চেয়ে কোনো লিখিত কেতাব বা বিধান বড় নয়। তিনি বলেন, গণরায় কখনো কেতাবের কাছে মাথা নত করে না।  রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের ইচ্ছাই হওয়া উচিত চূড়ান্ত ও সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তের ভিত্তি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানসংক্রান্ত মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

হাসনাত বলেন, “গণভোটে ৬৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ ইতোমধ্যেই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন সংবিধানের কোন কোন মৌলিক জায়গায় পরিবর্তন প্রয়োজন। তাই জনগণের এই রায়কে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।”

রাজনৈতিক বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সংবিধানকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যানের কথা বললেই কাউকে স্বাধীনতাবিরোধী বলা কতটা যৌক্তিক।”

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

এর আগে সংসদে আন্দালিব রহমান পার্থ-এর বক্তব্যের জবাবে হাসনাত বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধানের সুবিধাজনক অংশ গ্রহণ করছে, আর অসুবিধাজনক অংশ উপেক্ষা করছে। এতে সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।”

তিনি আরো বলেন, “সংবিধান মেনে চলার প্রশ্ন উঠলে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।”

অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও নিয়োগের উদাহরণ টেনে তিনি দাবি করেন, “সংবিধানকে অনেক সময় পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়েছে।”

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রের কাঠামো ও ভবিষ্যৎ গঠনে জনগণের মতামতই মূল চালিকাশক্তি হওয়া উচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, আন্দোলন ও ত্যাগের মাধ্যমে যে পরিবর্তন এসেছে, তার মূলে রয়েছে জনগণের ইচ্ছা। ফলে কোনো লিখিত দলিলের সীমাবদ্ধতার চেয়ে জনগণের সিদ্ধান্তই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।