০২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে’ লাখ লাখ মানুষ হত্যা, এবার একে ভেনেজুয়েলায় টেনে আনছেন ট্রাম্প

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬০৩৪ Time View

শিকাগোতে বিক্ষোভ দমনে সেনাদের ব্যবহারের চেষ্টা ছিল ট্রাম্পের। বিষয়টি নিয়ে আদালতে হওয়া মামলা থেকে দেখা যায়, এ কৌশল কীভাবে কাজ করে। কেন্দ্রীয় সরকারের আইন অনুযায়ী, কোনো ‘বিদ্রোহ’ দেখা দিলে এবং তাতে ‘যুক্তরাষ্ট্রের আইন বাস্তবায়ন’ অসম্ভব হয়ে পড়লে প্রেসিডেন্ট দেশের ভেতরে সেনা মোতায়েন করতে পারেন। সে হিসেবে কিছু নিম্ন আদালতের বিচারক যৌক্তিকভাবেই সেনা মোতায়েন ঠেকিয়ে দিয়েছেন। কারণ তাঁরা দেখেছেন, প্রশাসন এসব শর্ত পূরণ হয়েছে বলে প্রমাণ করতে পারেনি। বাস্তবে দেখুন, প্রতিটি বিক্ষোভে গড়ে ৫০ জন অংশ নিয়েছে এবং আইন প্রয়োগ দুরূহ হয়নি। কারণ, এই সময়ে যে ফেডারেল সংস্থাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ হচ্ছিল, সেই আইসিই বরং গ্রেপ্তারের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে।

তবে নিজেদের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রাম্পের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, এসব বিস্তারিত তথ্য অপ্রাসঙ্গিক। তাঁদের মতে, বিদ্রোহ ঘটছে কি না সেটি প্রমাণের প্রয়োজনই নেই, কারণ বিদ্রোহের সংজ্ঞা দেওয়ার ক্ষমতা যেকোনোভাবেই প্রেসিডেন্টের হাতে। অর্থাৎ আইনে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহারে প্রেসিডেন্টের সীমা বেঁধে দেওয়ার কথা আছে। কিন্তু সেই সীমা কী হবে, সেটি ঠিক করার ক্ষমতা আবার প্রেসিডেন্টের হাতেই।

নিম্ন আদালত এখন পর্যন্ত এই সুস্পষ্ট কর্তৃত্ববাদী আইনি তত্ত্বকে ঠেকিয়ে রেখেছে। এরপরও যুক্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, ব্যাপকভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পবান্ধব সুপ্রিম কোর্ট শিগগিরই এই মামলাটি শুনবেন এবং তাঁরা এই দাবিকে সমর্থনও করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, ট্রাম্প প্রশাসন লাতিন আমেরিকার উপকূলের কাছে বেসামরিক মানুষ হত্যার সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিতে এই একই যুক্তি ব্যবহার করেছে।

ট্যাগঃ

যুক্তরাষ্ট্রের ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে’ লাখ লাখ মানুষ হত্যা, এবার একে ভেনেজুয়েলায় টেনে আনছেন ট্রাম্প

সময়ঃ ১২:০১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

শিকাগোতে বিক্ষোভ দমনে সেনাদের ব্যবহারের চেষ্টা ছিল ট্রাম্পের। বিষয়টি নিয়ে আদালতে হওয়া মামলা থেকে দেখা যায়, এ কৌশল কীভাবে কাজ করে। কেন্দ্রীয় সরকারের আইন অনুযায়ী, কোনো ‘বিদ্রোহ’ দেখা দিলে এবং তাতে ‘যুক্তরাষ্ট্রের আইন বাস্তবায়ন’ অসম্ভব হয়ে পড়লে প্রেসিডেন্ট দেশের ভেতরে সেনা মোতায়েন করতে পারেন। সে হিসেবে কিছু নিম্ন আদালতের বিচারক যৌক্তিকভাবেই সেনা মোতায়েন ঠেকিয়ে দিয়েছেন। কারণ তাঁরা দেখেছেন, প্রশাসন এসব শর্ত পূরণ হয়েছে বলে প্রমাণ করতে পারেনি। বাস্তবে দেখুন, প্রতিটি বিক্ষোভে গড়ে ৫০ জন অংশ নিয়েছে এবং আইন প্রয়োগ দুরূহ হয়নি। কারণ, এই সময়ে যে ফেডারেল সংস্থাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ হচ্ছিল, সেই আইসিই বরং গ্রেপ্তারের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে।

তবে নিজেদের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রাম্পের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, এসব বিস্তারিত তথ্য অপ্রাসঙ্গিক। তাঁদের মতে, বিদ্রোহ ঘটছে কি না সেটি প্রমাণের প্রয়োজনই নেই, কারণ বিদ্রোহের সংজ্ঞা দেওয়ার ক্ষমতা যেকোনোভাবেই প্রেসিডেন্টের হাতে। অর্থাৎ আইনে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহারে প্রেসিডেন্টের সীমা বেঁধে দেওয়ার কথা আছে। কিন্তু সেই সীমা কী হবে, সেটি ঠিক করার ক্ষমতা আবার প্রেসিডেন্টের হাতেই।

নিম্ন আদালত এখন পর্যন্ত এই সুস্পষ্ট কর্তৃত্ববাদী আইনি তত্ত্বকে ঠেকিয়ে রেখেছে। এরপরও যুক্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, ব্যাপকভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পবান্ধব সুপ্রিম কোর্ট শিগগিরই এই মামলাটি শুনবেন এবং তাঁরা এই দাবিকে সমর্থনও করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, ট্রাম্প প্রশাসন লাতিন আমেরিকার উপকূলের কাছে বেসামরিক মানুষ হত্যার সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিতে এই একই যুক্তি ব্যবহার করেছে।