১০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তেল, ক্রিম, না লোশন—শিশুর ত্বকে কোনটি ব্যবহার করা ভালো

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬০১১ Time View

তেল, লোশন বা ক্রিমের মধ্যে আসল পার্থক্যটা হলো এতে থাকা পানির পরিমাণ। তেলে জলীয় অংশ নেই বললেই চলে। ক্রিমে জলীয় অংশের পরিমাণ সামান্য। লোশনে বেশির ভাগটাই জলীয় অংশ। শিশুর ত্বক যদি খুব শুষ্ক হয়, অথবা অনেকক্ষণ ধরে ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করতে তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। লোশন খুব অল্প সময় ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। তাই অল্প সময়ের জন্য বাইরে গেলে লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।

সব তেল একভাবে তৈরি নয়; আবার সব তেল বাচ্চার গায়ে মালিশ করার উপযোগীও নয়। শুধু তেলটি প্রাকৃতিক হলেই যে তা শিশুদের উপযোগী হবে, এটাও ঠিক নয়। হালকা, নন-স্টিকি তেল, ভিটামিন ‘ই’ যুক্ত তেল এবং শিশুদের জন্য উপযোগী তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। শর্ষের তেল খুব ঘন বলে রোমকূপ বন্ধ করে দিয়ে ত্বকে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। তাই অলিভ অয়েল হতে পারে ভালো সমাধান। অবশ্য যেকোনো তেল দিলেই ত্বক আঠালো হয়ে যায়।

এতে সহজেই ধূলিকণা জমে। তাই বাইরে গেলে তেল লাগানো উচিত নয়। গোসলের পর তেল লাগানো ভালো। এ সময় ত্বকে সবচেয়ে বেশি জলীয় অংশ থাকে। আর এই জলীয় অংশকে অনেকক্ষণ ধরে রাখে তেল। সবচেয়ে ভালো প্রভাব পেতে আগে লোশন লাগিয়ে এরপর তেল লাগানো যেতে পারে। এতে ত্বক বেশিক্ষণ আর্দ্র থাকে।

ট্যাগঃ

অন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্য কিসে, জানালেন প্রেস সচিব 

তেল, ক্রিম, না লোশন—শিশুর ত্বকে কোনটি ব্যবহার করা ভালো

সময়ঃ ১২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

তেল, লোশন বা ক্রিমের মধ্যে আসল পার্থক্যটা হলো এতে থাকা পানির পরিমাণ। তেলে জলীয় অংশ নেই বললেই চলে। ক্রিমে জলীয় অংশের পরিমাণ সামান্য। লোশনে বেশির ভাগটাই জলীয় অংশ। শিশুর ত্বক যদি খুব শুষ্ক হয়, অথবা অনেকক্ষণ ধরে ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করতে তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। লোশন খুব অল্প সময় ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। তাই অল্প সময়ের জন্য বাইরে গেলে লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।

সব তেল একভাবে তৈরি নয়; আবার সব তেল বাচ্চার গায়ে মালিশ করার উপযোগীও নয়। শুধু তেলটি প্রাকৃতিক হলেই যে তা শিশুদের উপযোগী হবে, এটাও ঠিক নয়। হালকা, নন-স্টিকি তেল, ভিটামিন ‘ই’ যুক্ত তেল এবং শিশুদের জন্য উপযোগী তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। শর্ষের তেল খুব ঘন বলে রোমকূপ বন্ধ করে দিয়ে ত্বকে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। তাই অলিভ অয়েল হতে পারে ভালো সমাধান। অবশ্য যেকোনো তেল দিলেই ত্বক আঠালো হয়ে যায়।

এতে সহজেই ধূলিকণা জমে। তাই বাইরে গেলে তেল লাগানো উচিত নয়। গোসলের পর তেল লাগানো ভালো। এ সময় ত্বকে সবচেয়ে বেশি জলীয় অংশ থাকে। আর এই জলীয় অংশকে অনেকক্ষণ ধরে রাখে তেল। সবচেয়ে ভালো প্রভাব পেতে আগে লোশন লাগিয়ে এরপর তেল লাগানো যেতে পারে। এতে ত্বক বেশিক্ষণ আর্দ্র থাকে।