পরিবেশবান্ধব জ্বালানি
এই যুদ্ধের জেরে পরিবেশববান্ধব জ্বালানি খাতের ওপরও চাপ তৈরি হবে। মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বাড়লে নতুন জ্বালানি স্থাপনা ও গ্রিড প্রকল্পে অর্থ জোগাড় করা সমস্যাজনক হবে।
ট্রান্সফরমার, অ্যালুমিনিয়াম ও তামার তারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহব্যবস্থাও এখন ব্যাহত হচ্ছে। বিশৃঙ্খলার কারণে সব কিছুই কঠিন হয়ে পড়ে। ব্যয়বহুল হয়ে যায় সবকিছু, তা সে দূষণকারী জ্বালানির অবকাঠামো হোক বা পরিবেশবান্ধব জ্বালানির।
ভারতের মতো দেশগুলোকে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে বিপুল পরিমাণে বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হবে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির বাড়তি চাহিদা মেটাতে সরকারকে ঠিক করতে হবে, নিজেদের দেশে সৌর প্যানেল, হিট পাম্প ও বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির কারখানায় তারা কতটা বিনিয়োগ করবে।
আমদানি করা পণ্যের ওপর কী হারে শুল্ক বসাবে, সেটাও ঠিক করতে হবে। জনস হপকিন্সের নেট জিরো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি ল্যাবের সহপরিচালক টিম সাহায় এমনটাই বলেছেন। তবে সরকার ও কোম্পানিগুলো দ্রুতই নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারে। বিশাল এলএনজি টার্মিনাল, পাইপলাইন ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের তুলনায় তা অনেক সহজ।
জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন জরুরি কাজ। এর মানে শুধু আরও বেশি বায়ু, সৌরশক্তি ও ব্যাটারি বসানো নয়, বরং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি খাতে নিজেদের সক্ষমতা গড়ে তোলাও জরুরি। গৃহের তাপব্যবস্থা ও পরিবহন খাত বিদ্যুৎভিত্তিক করাও এর অংশ। জ্বালানিতে নিজেদের স্বনির্ভরতা বাড়লে দেখা যাবে, সব দেশেই বায়ুদূষণ কমেছে। এতে কার্বন নিঃসরণও অনেকটা কমবে।
Sangbad365 Admin 












