তওবা কবুল হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত জরুরি: পাপ বর্জন করা, অনুতপ্ত হওয়া এবং ভবিষ্যতে না করার সংকল্প করা। যদি মানুষের হক নষ্ট করা হয়, তবে তা আগে আদায় বা মিটিয়ে নিতে হবে।
মূল লক্ষণ: অনেক আলিম বলেন, তওবা কবুল হওয়ার বড় লক্ষণ হলো জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসা—যেমন নেক আমল বৃদ্ধি পাওয়া এবং পাপের প্রতি অনীহা তৈরি হওয়া।
আমরা দুর্বল বলে বারবার ভুল করি, কিন্তু আল্লাহ সেই বান্দাকেই ভালোবাসেন যে বারবার ফিরে আসে। আল্লাহ বলেন, ‘তবে যারা তওবা করে, ইমান আনে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের পাপসমূহকে নেকি দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন।’ (সুরা ফুরকান, আয়াত: ৭০)
রাসুল (সা.) বলেছেন, মরুভূমিতে খাদ্য-পানীয়সহ উট হারিয়ে ফিরে পাওয়া ব্যক্তির চেয়েও আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবায় বেশি আনন্দিত হন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭৪৭)
Sangbad365 Admin 



