যুদ্ধক্ষেত্রে এই ট্যাংকার উড়োজাহাজগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লক্ষ্যবস্তু অনেক দূরে হলে যুদ্ধবিমান বা বোমারু বিমানগুলোকে যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করে এগুলো সচল রাখে। এটি মূলত একটি বিশাল লজিস্টিক অপারেশন, যেখানে একই সময়ে আকাশে থাকা অনেকগুলো যুদ্ধবিমানের জ্বালানির প্রয়োজন পড়ে।
জ্বালানি নেওয়ার প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল। ট্যাংকার উড়োজাহাজ থেকে একটি ‘প্রোব’ বা নল বের করে নিচে নামিয়ে দেওয়ার আগে অন্য যুদ্ধবিমানটি বা বোমারু বিমানটিকে ট্যাংকারের খুব কাছ দিয়ে উড়তে হয়। গ্রহীতা যুদ্ধবিমানের পাইলট তখন প্রোবের দিকে এগিয়ে যান এবং ট্যাংকারের নিচের আলোকসংকেত অনুসরণ করে নিজের অবস্থান এমনভাবে সমন্বয় করেন যাতে প্রোবটি যুদ্ধবিমানের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
সংযোগ স্থাপিত হওয়ার পর জ্বালানি স্থানান্তরের এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কয়েক মিনিট সময় লাগে। পুরোটা সময় যুদ্ধবিমানটি বড় ট্যাংকার থেকে মাত্র কয়েক ফুট দূরত্বে অবস্থান করে—যা প্রায়শই রাতের আঁধারে করা হয়।
আশপাশে আরও অনেক যুদ্ধবিমান থাকার পরিবেশে প্রোব কিংবা ‘শাটলকক আকৃতির ‘ড্রগ’-এর সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখা পাইলটের জন্য অত্যন্ত মুনশিয়ানার কাজ। শত্রুর নজর এড়াতে অনেক সময় জ্বালানি নেওয়ার এই মিশনের সময় উড়োজাহাজের সব আলো নেভানো থাকে।
Sangbad365 Admin 









