০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘রামেন্দু, আমাকে সমীহ করে কথা বলবে…’

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • ১৬০০৫ Time View

আতাউর রহমান শেষ দুই বছর অসুস্থ ছিলেন। এই সময়েও তিনি অভিপ্রায় করেছিলেন লাঠি হাতেই ‘রক্ত করবী’ নাটকে অভিনয় করবেন। কীভাবে সেই নাটকের ডিজাইন করবেন, সেটাও ভেবে রেখেছিলেন। পারেননি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই নাট্যব্যক্তিত্ব ১২ মে মারা যান।

স্বামীকে স্মরণ করে শাহিদা রহমান বলেন, ‘তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের তিনি সন্তানের মতো মনে করতেন। তাঁদের শিল্পসাহিত্য সম্পর্কে ধারণা দিতেন। আমাদের সেটাই শেখাতেন। তিনি চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। চলে যাওয়াটা খুবই কষ্টের। আতাউরের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তাঁর নাটক আর দেখা হলো না। মঞ্চে দেখতে পারব না। তিনি যেখানে আছেন, যেন ভালো থাকেন।’

স্মরণানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামেন্দু মজুমদার। তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘তিনি ছিলেন সাংগঠনিক মানুষ। তাঁর জন্য শোক করতে চাই না, উদ্‌যাপন করতে চাই। তিনি নিজের জীবন নিয়ে তৃপ্ত ছিলেন। তাঁর কোনো আফসোস ছিল না। তিনি ছিলেন আনন্দদায়ক মানুষ। দেশে কিংবা আমরা বিদেশে গেলেও তিনি একই রকমভাবে কৌতুকের মধ্য দিয়ে আনন্দ দিতেন। আবার আমরাও আতাউর রহমানকে নিয়ে ঠাট্টা করেছি। তিনি জীবনভর আনন্দে মধ্য দিয়ে গেছেন। আমি মনে করি, আমাদের স্মৃতিতে আতাউর কখনো ঝাপসা হবেন না।’

ট্যাগঃ

‘রামেন্দু, আমাকে সমীহ করে কথা বলবে…’

সময়ঃ ১২:০০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

আতাউর রহমান শেষ দুই বছর অসুস্থ ছিলেন। এই সময়েও তিনি অভিপ্রায় করেছিলেন লাঠি হাতেই ‘রক্ত করবী’ নাটকে অভিনয় করবেন। কীভাবে সেই নাটকের ডিজাইন করবেন, সেটাও ভেবে রেখেছিলেন। পারেননি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই নাট্যব্যক্তিত্ব ১২ মে মারা যান।

স্বামীকে স্মরণ করে শাহিদা রহমান বলেন, ‘তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের তিনি সন্তানের মতো মনে করতেন। তাঁদের শিল্পসাহিত্য সম্পর্কে ধারণা দিতেন। আমাদের সেটাই শেখাতেন। তিনি চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। চলে যাওয়াটা খুবই কষ্টের। আতাউরের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তাঁর নাটক আর দেখা হলো না। মঞ্চে দেখতে পারব না। তিনি যেখানে আছেন, যেন ভালো থাকেন।’

স্মরণানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামেন্দু মজুমদার। তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘তিনি ছিলেন সাংগঠনিক মানুষ। তাঁর জন্য শোক করতে চাই না, উদ্‌যাপন করতে চাই। তিনি নিজের জীবন নিয়ে তৃপ্ত ছিলেন। তাঁর কোনো আফসোস ছিল না। তিনি ছিলেন আনন্দদায়ক মানুষ। দেশে কিংবা আমরা বিদেশে গেলেও তিনি একই রকমভাবে কৌতুকের মধ্য দিয়ে আনন্দ দিতেন। আবার আমরাও আতাউর রহমানকে নিয়ে ঠাট্টা করেছি। তিনি জীবনভর আনন্দে মধ্য দিয়ে গেছেন। আমি মনে করি, আমাদের স্মৃতিতে আতাউর কখনো ঝাপসা হবেন না।’