০৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হামলাকারীদের একজন রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন, তাঁর সম্পর্কে কী বলছেন নিয়োগকর্তা

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬০৩৭ Time View

ম্যাল লেনিয়ন আরও বলেন, ওই দুই ব্যক্তি গতকাল পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি নিশ্চিত করেছেন, সাজিদ আকরামের কাছে এক দশক ধরে অস্ত্রের লাইসেন্স আছে।

নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্রিস মিন্স বলেন, এটা প্রায় নিশ্চিত, বন্দুক আইন পরিবর্তন করা হবে। কীভাবে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র ব্যবহার করে এমন সন্ত্রাসী হামলা ঘটানো সম্ভব হলো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

যদিও পুলিশ দ্য গার্ডিয়ান অস্ট্রেলিয়াকে হামলাকারীদের নাম নিশ্চিত করেনি। তবে তাঁদের বয়স, বাসস্থান ও সাজিদ আকরামের অস্ত্রের লাইসেন্স–সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করেছে।

হামলার আগে নাভিদ আকরাম রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর নিয়োগকর্তা জানিয়েছেন, ছয় বছর আগে তিনি নাভিদকে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজে নিয়েছিলেন। নাভিদ ছিলেন পরিশ্রমী। তিনি কখনো ছুটি নিতেন না।

কয়েক মাস আগে নাভিদ জানিয়েছেন, কুস্তি লড়তে গিয়ে তাঁর কবজি ভেঙে গেছে। ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি কাজ করতে পারবেন না। তিনি তাঁর সব বেতন-ভাতা, চুক্তিভিত্তিক সব পাওনা এবং বার্ষিক ছুটি দেওয়ার দাবি জানান। সাধারণত কর্মীরা বছর শেষেই এসব চান। আর এ কারণেই, ‘আমি ভাবতে বাধ্য হয়েছি যে তিনি এত অর্থ দিয়ে করবেনটা কী।’

ট্যাগঃ

হামলাকারীদের একজন রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন, তাঁর সম্পর্কে কী বলছেন নিয়োগকর্তা

সময়ঃ ১২:০৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ম্যাল লেনিয়ন আরও বলেন, ওই দুই ব্যক্তি গতকাল পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি নিশ্চিত করেছেন, সাজিদ আকরামের কাছে এক দশক ধরে অস্ত্রের লাইসেন্স আছে।

নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্রিস মিন্স বলেন, এটা প্রায় নিশ্চিত, বন্দুক আইন পরিবর্তন করা হবে। কীভাবে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র ব্যবহার করে এমন সন্ত্রাসী হামলা ঘটানো সম্ভব হলো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

যদিও পুলিশ দ্য গার্ডিয়ান অস্ট্রেলিয়াকে হামলাকারীদের নাম নিশ্চিত করেনি। তবে তাঁদের বয়স, বাসস্থান ও সাজিদ আকরামের অস্ত্রের লাইসেন্স–সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করেছে।

হামলার আগে নাভিদ আকরাম রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর নিয়োগকর্তা জানিয়েছেন, ছয় বছর আগে তিনি নাভিদকে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজে নিয়েছিলেন। নাভিদ ছিলেন পরিশ্রমী। তিনি কখনো ছুটি নিতেন না।

কয়েক মাস আগে নাভিদ জানিয়েছেন, কুস্তি লড়তে গিয়ে তাঁর কবজি ভেঙে গেছে। ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি কাজ করতে পারবেন না। তিনি তাঁর সব বেতন-ভাতা, চুক্তিভিত্তিক সব পাওনা এবং বার্ষিক ছুটি দেওয়ার দাবি জানান। সাধারণত কর্মীরা বছর শেষেই এসব চান। আর এ কারণেই, ‘আমি ভাবতে বাধ্য হয়েছি যে তিনি এত অর্থ দিয়ে করবেনটা কী।’