এই ঐতিহাসিক সফর থেকে আমরা বেশ কিছু জীবনমুখী শিক্ষা লাভ করি:
১. ধৈর্য ও দৃঢ়তা: তায়েফের অপমান ও স্বজনদের হারানোর পর এই অলৌকিক ভ্রমণ আমাদের শেখায় যে বিপদের শেষেই আল্লাহর পক্ষ থেকে বড় কোনো বিজয় বা সম্মান অপেক্ষা করে। যারা ধৈর্য ধরে, আল্লাহ তাদের কখনোই একা ছেড়ে দেন না।
২. আধ্যাত্মিক পরিচ্ছন্নতা: সফরের শুরুতে রাসুলের বক্ষ বিদীর্ণ করে ‘শাক্কুস সাদর’ বা হৃদয়ের পরিচ্ছন্নতা সম্পন্ন করা হয়েছিল। এটি আমাদের অন্তরের পবিত্রতা অর্জনের গুরুত্ব নির্দেশ করে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৬২)
৩. বিজ্ঞান ও অলৌকিকতা: আধুনিক বিজ্ঞান যেখানে আলো ও গতির সীমা নিয়ে কথা বলে, মিরাজ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্রষ্টার ক্ষমতা বিজ্ঞানের সংজ্ঞায় সীমাবদ্ধ নয়। যিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তাঁর জন্য সময় ও স্থানের ব্যবধান ঘুচিয়ে দেওয়া অতি নগণ্য বিষয়।
৪. জেরুজালেমের পবিত্রতা রক্ষা: মসজিদুল আকসা কেবল একটি সাধারণ মসজিদ নয়; বরং এটি নবীদের আমানত এবং ইসলামের অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে থাকা এক পবিত্র স্থান। এর মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি মুসলমানের ইমানি দায়িত্ব।
ইসরা ও মিরাজ কেবল একটি উৎসব বা ঐতিহাসিক আলোচনার বিষয় নয়। এটি উম্মতের জন্য এক নবচেতনার উৎস। এটি আমাদের নামাজের গুরুত্ব বোঝায়, নবীদের আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলে এবং জেরুজালেমের সঙ্গে আমাদের আত্মিক সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দেয়।
Sangbad365 Admin 










