সংবাদপত্রের এক খবরে প্রকাশ, বাংলাদেশে জ্বালানি তেল মজুত করা হচ্ছে গ্রামে গ্রামে, বাড়িতে, দোকানে ও গোয়ালঘরে। এটা যে কী বিপজ্জনক, একটা বাড়িতে আগুন লাগলে, বাড়ির পর বাড়ি, গ্রামের পর গ্রাম পুড়ে যেতে পারে। ইরান যুদ্ধ আমাদের বাড়ির কাছেই সংকট ও বিপদ বাড়াচ্ছে।
বাজারে উৎকণ্ঠা রয়েই গেছে, কোনো কোনো পেট্রলপাম্পে ক্রেতাদের ৮–১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। বিদ্যুৎ উৎপাদনেও জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেছেন, ‘প্রতিদিন সরকার ১৬৭ কোটি টাকা জ্বালানি তেলে ভর্তুকি দিচ্ছে।’ এভাবে ভর্তুকি দিলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ খুব অল্প সময়েই নিঃশেষ হয়ে যাবে।
এই যুদ্ধে অগণিত বাংলাদেশি শ্রমজীবী মানুষ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অনিশ্চিত দিন কাটাচ্ছে। দেশে তাঁদের পরিবার ও স্বজনদের উৎকণ্ঠা বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে সামনে যে বড় ধরনের পরিবর্তন হবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকেরা এর মধ্যেই ভবিষ্যদ্বাণী করছেন। ইরান যুদ্ধ বাংলাদেশের অর্থনীতির চাপ ও উৎকণ্ঠা বিপর্যয়ে ঠেকাতে পারে।
Sangbad365 Admin 








