০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে বাঁচতে মানববন্ধন 

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬০০৩ Time View

গোপালগঞ্জে ‘মিথ্যা’ মামলার হয়রানি থেকে বাঁচতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর গোবরা গ্রামের ভুক্তভোগীরা এ কর্মসূচি পালন করে।

আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাহাট-ফেরীঘাট সড়কের উপর দাঁড়িয়ে হাতে হাত ধরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করে। এ মানববন্ধনে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেয়। 

এ সময় গোবরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী সালাউদ্দিন, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য শিব্বির মোল্যা, ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মন্টু শেখ, ভুক্তভোগী রামজান মোল্যা, আবু দাউদ খান, মাহাতাব সরদার, মিসকাত মোল্যা, রশিদা বেগম, আলমগীর মোল্যা, বাবুল মোল্যা বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভোগী আবু দাউদ খান বলেন, ‘‘১২ বছর আগে আমার বাবা অভিযুক্ত লাবনী বেগমের মা-বাবাকে আমাদের জমিতে থাকতে দেন। লবনীর মা-বাবা অসুস্থ হলে তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে এখানে আসে। এরপর তাদের জমি ছেড়ে দিতে বললে লাবনীর দুই ভাই জমি ছেড়ে দিলেও লবনী থেকে যায়। এরপর কয়েকবার তাকে জমি ছেড়ে দিতে বললে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এখন আমরা আমাদের জমি তো উদ্ধার করতে পারছিই না, উল্টো আমরা মিথ্যা মামলায় হয়রানি হচ্ছি।’’ 

অপর ভুক্তভোগী রামজান মোল্যা বলেন, ‘‘এখন এখানে বসবাস করা দায় হয়ে পড়েছে। মামলাবাজ লাবনী বিভিন্ন সময় আমাদের নামে মামলা দেয়। পরে টাকার নিয়ে মামলা তুলে নেয়। আমরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছি।’’ 

অপর ভুক্তভোগী মিসকাত মোল্যা বলেন, ‘‘কিছু বললেই গ্রামবাসীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়বানি করে লাবনী বেগম। তার স্বামী মাদক বিক্রিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। আমরা এ থেকে রেহাই চাই।’’ 

গোবরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য শিব্বির মোল্যা বলেন, ‘‘বিভিন্ন সময় গ্রামবাসী আমাদের কাছে অভিযোগ দিলে সেটি মিমাংসা করে দেই। কিন্তু আবার সেই একই কাজ করে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে। এ গ্রামের অন্তত ৬০টি পরিবার হয়রানির শিকার হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাচ্ছি না।’’ 

গোবরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘‘লাবনী বেগম একজন মামলাবাজ নারী। কিছু হলেই মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ গ্রামবাসীকে হয়রানি করে।’’ তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। 

ট্যাগঃ

গোপালগঞ্জে মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে বাঁচতে মানববন্ধন 

সময়ঃ ১২:০১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জে ‘মিথ্যা’ মামলার হয়রানি থেকে বাঁচতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর গোবরা গ্রামের ভুক্তভোগীরা এ কর্মসূচি পালন করে।

আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাহাট-ফেরীঘাট সড়কের উপর দাঁড়িয়ে হাতে হাত ধরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করে। এ মানববন্ধনে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেয়। 

এ সময় গোবরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী সালাউদ্দিন, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য শিব্বির মোল্যা, ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মন্টু শেখ, ভুক্তভোগী রামজান মোল্যা, আবু দাউদ খান, মাহাতাব সরদার, মিসকাত মোল্যা, রশিদা বেগম, আলমগীর মোল্যা, বাবুল মোল্যা বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভোগী আবু দাউদ খান বলেন, ‘‘১২ বছর আগে আমার বাবা অভিযুক্ত লাবনী বেগমের মা-বাবাকে আমাদের জমিতে থাকতে দেন। লবনীর মা-বাবা অসুস্থ হলে তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে এখানে আসে। এরপর তাদের জমি ছেড়ে দিতে বললে লাবনীর দুই ভাই জমি ছেড়ে দিলেও লবনী থেকে যায়। এরপর কয়েকবার তাকে জমি ছেড়ে দিতে বললে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এখন আমরা আমাদের জমি তো উদ্ধার করতে পারছিই না, উল্টো আমরা মিথ্যা মামলায় হয়রানি হচ্ছি।’’ 

অপর ভুক্তভোগী রামজান মোল্যা বলেন, ‘‘এখন এখানে বসবাস করা দায় হয়ে পড়েছে। মামলাবাজ লাবনী বিভিন্ন সময় আমাদের নামে মামলা দেয়। পরে টাকার নিয়ে মামলা তুলে নেয়। আমরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছি।’’ 

অপর ভুক্তভোগী মিসকাত মোল্যা বলেন, ‘‘কিছু বললেই গ্রামবাসীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়বানি করে লাবনী বেগম। তার স্বামী মাদক বিক্রিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। আমরা এ থেকে রেহাই চাই।’’ 

গোবরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য শিব্বির মোল্যা বলেন, ‘‘বিভিন্ন সময় গ্রামবাসী আমাদের কাছে অভিযোগ দিলে সেটি মিমাংসা করে দেই। কিন্তু আবার সেই একই কাজ করে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে। এ গ্রামের অন্তত ৬০টি পরিবার হয়রানির শিকার হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাচ্ছি না।’’ 

গোবরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘‘লাবনী বেগম একজন মামলাবাজ নারী। কিছু হলেই মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ গ্রামবাসীকে হয়রানি করে।’’ তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।