০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সমৃদ্ধ ইউরোনিয়াম অবশ্যই ইরানে থাকবে: খামেনি

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ১৬০০২ Time View

প্রকাশিত: ১৭:৫৬, ২১ মে ২০২৬  

ইরানের প্রায় অস্ত্র-উপযোগী ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো যাবে না বলে নির্দেশনা জারি করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। এর মাধ্যমে শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবির বিষয়ে তেহরানের অবস্থান আরো কঠোর হলো বলে বৃহস্পতিবার (২১ মে) জানিয়েছে রয়টার্স।

খামেনির এই আদেশ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরো হতাশ করতে পারে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শেষ করার আলোচনাকে জটিল করে তুলতে পারে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইসরায়েলকে আশ্বাস দিয়েছেন যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ইরানের উচ্চসমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ইরান থেকে বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে এবং যেকোনো শান্তি চুক্তিতে এ বিষয়ে একটি ধারা অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ না করা পর্যন্ত, তেহরান প্রক্সি মিলিশিয়াদের প্রতি সমর্থন বন্ধ না করা পর্যন্ত এবং দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নির্মূল না করা পর্যন্ত তিনি এই যুদ্ধকে শেষ হয়েছে বলে মনে করবেন না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলা দুজন ইরানি সূত্রের মধ্যে একজন বলেছেন, “সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঐকমত্য হলো যে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ যেন দেশ থেকে বাইরে না যায়।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা মনে করেন, এই উপাদান বিদেশে পাঠানো হলে দেশটি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণের মুখে আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বিষয়ে খামেনির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
 

ঢাকা/শাহেদ

ট্যাগঃ

সমৃদ্ধ ইউরোনিয়াম অবশ্যই ইরানে থাকবে: খামেনি

সময়ঃ ১২:০১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

প্রকাশিত: ১৭:৫৬, ২১ মে ২০২৬  

ইরানের প্রায় অস্ত্র-উপযোগী ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো যাবে না বলে নির্দেশনা জারি করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। এর মাধ্যমে শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবির বিষয়ে তেহরানের অবস্থান আরো কঠোর হলো বলে বৃহস্পতিবার (২১ মে) জানিয়েছে রয়টার্স।

খামেনির এই আদেশ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরো হতাশ করতে পারে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শেষ করার আলোচনাকে জটিল করে তুলতে পারে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইসরায়েলকে আশ্বাস দিয়েছেন যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ইরানের উচ্চসমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ইরান থেকে বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে এবং যেকোনো শান্তি চুক্তিতে এ বিষয়ে একটি ধারা অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ না করা পর্যন্ত, তেহরান প্রক্সি মিলিশিয়াদের প্রতি সমর্থন বন্ধ না করা পর্যন্ত এবং দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নির্মূল না করা পর্যন্ত তিনি এই যুদ্ধকে শেষ হয়েছে বলে মনে করবেন না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলা দুজন ইরানি সূত্রের মধ্যে একজন বলেছেন, “সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঐকমত্য হলো যে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ যেন দেশ থেকে বাইরে না যায়।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা মনে করেন, এই উপাদান বিদেশে পাঠানো হলে দেশটি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণের মুখে আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বিষয়ে খামেনির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
 

ঢাকা/শাহেদ