এই ঘটনা তৌসিফের জীবনটাকেই যেন পাল্টে দেয়। মায়ের এই ত্যাগ তাঁকে বড় হতে প্রেরণা দিয়েছে। ‘এখনো প্রায়ই আমাকে ঘটনাটি ভাবায়, মা রক্তাক্ত অবস্থায়ও কাউকে সাহায্যের জন্য না ডেকে, কোনো হাসপাতালে না গিয়ে বরং আমার স্কুলে চলে এসেছিলেন, আমাকে নিতে। নিজের কথা না ভেবে মা ছেলের কথা ভেবেছিলেন। এটাই আমার মা। আমার ছোটবেলা থেকে এমন অসংখ্য ত্যাগের, যত্নের, ভালোবাসার ছোট ছোট গল্প আছে আমার মাকে ঘিরে। আমার মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রম আর অবদানের ফলেই আমি আজ তৌসিফ হয়ে উঠেছি। আমি জানি না এসবের প্রতিদান কীভাবে দেব, তবে আমি এটুকু জানি মাকে প্রচণ্ড ভালোবাসি।’
সবশেষে তৌসিফ বললেন, ‘এখনো সেই ধানমন্ডির রাস্তা সন্ধ্যার পর সুনসান নীরব হয়ে যায়। এখনো শুনি ছিনতাই হয়। এটা ভেবে খারাপ লাগে। আজ মা দিবসে পৃথিবীর সকল মা ভালো থাকুক। আমার মায়ের মতো পরিস্থিতিতে যেন আর কোনো মাকে পড়তে না হয়। মাকে ছিনতাইকারীরা ছুরি মেরেছিল সেই ভয়ংকর দিনের কথা ভাবলে শরীর শিউরে ওঠে।’
Sangbad365 Admin 







