পর্দায় পূজা চেরীর সঙ্গে নিশোর রসায়ন ভালো ছিল। চরিত্র ছোট হলেও পূজা ভালো অভিনয় করেছেন। বিদেশে বন্দী স্বামী, বেঁচে আছেন কি না, জানা নেই; এমন চরিত্রে যথাযথ ছিলেন পূজা। গত বছরের শুরুর দিকে ওয়েব সিরিজ ‘ব্ল্যাকমানি’র গ্ল্যামারাস চরিত্রে দেখা সেই পূজাকে এই সিনেমায় গৃহবধূর চরিত্রে চেনা মুশকিল। স্বামীকে ফিরে পাওয়ার আশায় নেস্টের ঢাকা অফিসে যাওয়া বা দিনের পর দিন মন্ত্রণালয়ে গিয়ে তাঁর আকুতি দর্শকদের ছুঁয়ে গেছে।
সিনেমায় সুজিত চরিত্রে ছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। তবে এ চরিত্রের প্রতি নির্মাতা যেন খুব একটা সুবিচার করেননি। নূর ও সুজিতের মধ্যে সম্পর্কটা আরেকটু ভালোভাবে দেখানোর সুযোগ ছিল। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হওয়া সত্ত্বেও চঞ্চল চৌধুরী নিছক একজন পার্শ্বচরিত্র হয়েই থেকে গেলেন।
তবে অন্যান্য চরিত্রকে বেছে নিতে নির্মাতা মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। বিশেষত আফগানিস্তানে তালেবান এবং তাঁদের পরিবারের যে চরিত্রগুলো রয়েছেন, তাঁদের সবাই বিদেশি। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁরা সবাই চরিত্রের সঙ্গে দুর্দান্তভাবে মানিয়ে গেছেন। শিশুশিল্পী থেকে শুরু করে তালেবান নেতা—প্রত্যেকে বিশ্বাসযোগ্য অভিনয় করেছেন। অতিথি চরিত্রে জাহিদ হাসান, আবুল হায়াত, আফসানা মিমি তাঁদের স্বভাবজাত ভালো অভিনয় করেছেন।
Sangbad365 Admin 












