০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘সাহস থাকলে ট্রাম্প তাঁর জাহাজ উপসাগরে পাঠাক’

  • Sangbad365 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ১৬০০৫ Time View

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহারের জন্য ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া।

মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। গতকাল শনিবার সাক্ষাৎকারের এই অংশটি প্রচারিত হয়।

সিএনএনের ফরিদ জাকারিয়াকে জেলেনস্কি বলেন, এটি ‘শতভাগ সত্য’ যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ইরান রাশিয়ার তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করেছে। এ

অঞ্চলের অন্যান্য দেশে চালানো হামলার সঙ্গেও শাহেদ ড্রোনের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। তবে এসব ড্রোনের প্রস্তুতকারক কারা, তা সবসময় স্পষ্ট নয়।

মূলত ইরানই প্রথম এ শাহেদ ড্রোন তৈরি করে, যা ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।

ইউক্রেনের দাবি, ২০২২ সালের শরৎকাল থেকে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণে এই ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। তখন থেকে রুশ বাহিনী হাজার হাজার শাহেদ ড্রোন উৎক্ষেপণ করেছে।

শুরুতে ইরান এসব ড্রোন সরবরাহ করলেও এখন রাশিয়া নিজেই শাহেদ ড্রোন তৈরি করছে। ইতিমধ্যে, মার্কিন সেনাবাহিনীসহ অন্য দেশের সশস্ত্র বাহিনীও শাহেদ ঘরানার ড্রোন গ্রহণ করেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর মতে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে এই ড্রোনগুলো ব্যবহার করা তাদের পরিকল্পনার অংশ।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ট্যাগঃ

‘সাহস থাকলে ট্রাম্প তাঁর জাহাজ উপসাগরে পাঠাক’

সময়ঃ ১২:০৩:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহারের জন্য ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া।

মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। গতকাল শনিবার সাক্ষাৎকারের এই অংশটি প্রচারিত হয়।

সিএনএনের ফরিদ জাকারিয়াকে জেলেনস্কি বলেন, এটি ‘শতভাগ সত্য’ যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ইরান রাশিয়ার তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করেছে। এ

অঞ্চলের অন্যান্য দেশে চালানো হামলার সঙ্গেও শাহেদ ড্রোনের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। তবে এসব ড্রোনের প্রস্তুতকারক কারা, তা সবসময় স্পষ্ট নয়।

মূলত ইরানই প্রথম এ শাহেদ ড্রোন তৈরি করে, যা ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।

ইউক্রেনের দাবি, ২০২২ সালের শরৎকাল থেকে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণে এই ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। তখন থেকে রুশ বাহিনী হাজার হাজার শাহেদ ড্রোন উৎক্ষেপণ করেছে।

শুরুতে ইরান এসব ড্রোন সরবরাহ করলেও এখন রাশিয়া নিজেই শাহেদ ড্রোন তৈরি করছে। ইতিমধ্যে, মার্কিন সেনাবাহিনীসহ অন্য দেশের সশস্ত্র বাহিনীও শাহেদ ঘরানার ড্রোন গ্রহণ করেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর মতে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে এই ড্রোনগুলো ব্যবহার করা তাদের পরিকল্পনার অংশ।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান