ঈদুল ফিতরের পর বাড়তি পর্যটক সমাগম সামনে রেখে এই কর্মসূচির একটি মানবিক বার্তাও রয়েছে—প্রকৃতি উপভোগ করতে গিয়ে যেন কেউ বনের ক্ষতির কারণ না হন। সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নালিতাবাড়ীর পানিহাটা এলাকা থেকে শুরু করে ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদীর বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় ব্যানার স্থাপন করা হয়েছে।
আয়োজকদের একজন রহমত আলী বলেন, ‘ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে অনেকে গারো পাহাড়ে ঘুরতে আসেন। কিন্তু এই আনন্দ যেন বনের প্রাণীদের দুর্ভোগের কারণ না হয়—সেই সচেতনতা তৈরিই আমাদের লক্ষ্য।’
বিউটি অব ঝিনাইগাতী সংগঠনের সভাপতি পারভেজ মিয়া বলেন, ঈদের পর পাহাড়ি এলাকায় দর্শনার্থীর ভিড় বাড়ে। অনেকেই অসাবধানতাবশত সিগারেটের আগুন ফেলে দেন, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে ওঠে।
Sangbad365 Admin 








