ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ৩৪ সেকেন্ড! ওই সময়েই অদ্ভুত এক গোলে ফর্টিসের বিপক্ষে এগিয়ে যায় আবাহনী। ডান দিক থেকে মিরাজুলের বক্সের ভেতর ফেলা বল ধরতে এগিয়ে যান ফর্টিসের শ্রীলঙ্কান গোলরক্ষক সুজান পেরেইরা। একই সময় বল বিপদমুক্ত করতে এগিয়ে যান ফর্টিসের ডিফেন্ডার ও অনূর্ধ্ব-২০ সাফ জয়ী দলের অধিনায়ক মিঠু চৌধুরীও।
দুজনের হুড়োহুড়িতে শেষ পর্যন্ত বলটি মিঠুর গায়ে লেগে জড়িয়ে যায় জালে। মিঠু সামনে থাকায় সুজানের পক্ষে বলটি ধরা সম্ভব হয়নি।
ম্যাচের শুরুতেই এমন গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় ফর্টিস। ম্যাচের বাকি নব্বই মিনিট হাতে থাকলেও আবাহনীর রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি তারা। গত ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় অধিনায়ক পা ওমর বাবু এদিন মাঠে ছিলেন না, যে কারণে ফর্টিসের আক্রমণে আগের ধার ছিল না। অন্যদিকে, আগের ম্যাচে লাল কার্ড পাওয়ায় আবাহনী পায়নি ফরোয়ার্ড শেখ মোরছালিনকে।
Sangbad365 Admin 








